ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মূল‍্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে কৃষি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : রিজভী বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার বিরোধী দলীয় এমপিদের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থে‌কে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ভারতে গরুর মাংস রান্না করায় ৩ নারী গ্রেফতার ময়লার স্তূপে মিলল যুবকের মরদেহ, এক পা ভাঙা; শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩ কোটি টাকা দিলেন নেইমার দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর ইরান যুদ্ধের কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেননি ট্রাম্প: নিউজার্সির গভর্নর প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিলেন বিরোধীদলের নেতা এবারের বাজেট হবে সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় স্ত্রীকে পেটাল পুলিশ সদস্য

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় রাশেদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল দ্বিতীয় বিয়ের লিখিত অনুমতি না পেয়ে স্ত্রী পারুল খাতুনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূকে কামারখন্দ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পারুলের বাবা ফজলু প্রামাণিক। অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল রাশেদুল রাঙমাটি নতুন পুলিশ লাইনে কর্মরত।

বুধবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পারুল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে কামারখন্দ উপজেলার নান্দিনা মধু গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে একই উপজেলার জামতৈল গ্রামের ফজলু প্রামাণিকের মেয়ে পারুল খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রাশেদুল যৌতুকের জন্য প্রায়ই পারুলকে নির্যাতন করতেন।

এর আগে বিয়ের সময় পুলিশের চাকরি নেওয়ার নাম করে ১০ লাখ টাকা যৌতুক নেন রাশেদুল। অথচ বিয়ের পর থেকেই আরও টাকার জন্য স্ত্রীকে নানাভাবে চাপসহ শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন রাশেদুল ও তার পরিবারের লোকজন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে রাশেদুল নিজ বাড়িতে তার স্ত্রীর কাছে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য লিখিত অনুমতি চেয়ে চাপ প্রয়োগ করেন।

এতে স্ত্রী পারুল রাজি না হওয়ায় তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন রাশেদুল ও তার পরিবারের লোকজন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি চার দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কামারখন্দ হাসপাতালের আরএমও এমএম সুমনুল হক জানান, আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় তার মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এছাড়া তার তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানান আরএমও।

এদিকে ওই গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে গেলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়।

কামারখন্দ থানার ওসি রাকিবুল হুদা জানান, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল‍্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে কৃষি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : রিজভী

দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় স্ত্রীকে পেটাল পুলিশ সদস্য

আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় রাশেদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল দ্বিতীয় বিয়ের লিখিত অনুমতি না পেয়ে স্ত্রী পারুল খাতুনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূকে কামারখন্দ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পারুলের বাবা ফজলু প্রামাণিক। অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল রাশেদুল রাঙমাটি নতুন পুলিশ লাইনে কর্মরত।

বুধবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পারুল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে কামারখন্দ উপজেলার নান্দিনা মধু গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে একই উপজেলার জামতৈল গ্রামের ফজলু প্রামাণিকের মেয়ে পারুল খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রাশেদুল যৌতুকের জন্য প্রায়ই পারুলকে নির্যাতন করতেন।

এর আগে বিয়ের সময় পুলিশের চাকরি নেওয়ার নাম করে ১০ লাখ টাকা যৌতুক নেন রাশেদুল। অথচ বিয়ের পর থেকেই আরও টাকার জন্য স্ত্রীকে নানাভাবে চাপসহ শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন রাশেদুল ও তার পরিবারের লোকজন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে রাশেদুল নিজ বাড়িতে তার স্ত্রীর কাছে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য লিখিত অনুমতি চেয়ে চাপ প্রয়োগ করেন।

এতে স্ত্রী পারুল রাজি না হওয়ায় তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন রাশেদুল ও তার পরিবারের লোকজন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি চার দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কামারখন্দ হাসপাতালের আরএমও এমএম সুমনুল হক জানান, আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় তার মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এছাড়া তার তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানান আরএমও।

এদিকে ওই গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে গেলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়।

কামারখন্দ থানার ওসি রাকিবুল হুদা জানান, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।