ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

মিয়ানমারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও মগদের অভিযানে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে হাজারো রোহিঙ্গা।

এরই মধ্যে জাতিগতভাবে রোহিঙ্গা নিধন, গণধর্ষণ, বাড়ি-ঘর পোড়ানোসহ যুদ্ধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক গণআদালতে রায় হয়েছে। এতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূচি ও সেনাবাহিনীকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ১৭টি ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। এ শুনানিতে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার পাশাপাশি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিচার শুরুর জন্য প্রয়োজন জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা। রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও তাদেরকে গণহত্যার দায়ে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও মিয়ানমারের বিচার সম্ভব বলে জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ জানান, জাতিসংঘের হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ছয় মাসে দরকার হবে প্রায় ২০ কোটি মার্কিন ডলার।

গণহত্যার বিচারের পাশাপাশি, মিয়ানমারের কাছে বাংলাদেশের ক্ষতিপূরণ চাওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই প্রসিকিউটর।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তিনি।

এদিকে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচারের পাশাপাশি মিয়ানমারের কাছে ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারে বাংলাদেশ। এজন্য কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

মিয়ানমারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও মগদের অভিযানে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে হাজারো রোহিঙ্গা।

এরই মধ্যে জাতিগতভাবে রোহিঙ্গা নিধন, গণধর্ষণ, বাড়ি-ঘর পোড়ানোসহ যুদ্ধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক গণআদালতে রায় হয়েছে। এতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূচি ও সেনাবাহিনীকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ১৭টি ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। এ শুনানিতে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার পাশাপাশি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিচার শুরুর জন্য প্রয়োজন জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা। রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও তাদেরকে গণহত্যার দায়ে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও মিয়ানমারের বিচার সম্ভব বলে জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ জানান, জাতিসংঘের হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ছয় মাসে দরকার হবে প্রায় ২০ কোটি মার্কিন ডলার।

গণহত্যার বিচারের পাশাপাশি, মিয়ানমারের কাছে বাংলাদেশের ক্ষতিপূরণ চাওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই প্রসিকিউটর।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তিনি।

এদিকে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচারের পাশাপাশি মিয়ানমারের কাছে ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারে বাংলাদেশ। এজন্য কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।