ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

‘জিয়ার লাশ নিয়ে রুচিহীন বক্তব্যের প্রতিযোগিতা চলছে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর চন্রিিথমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লাশ নেই- আওয়ামী লীগের নেতা ও মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যকে রুচিহীন বলে দাবি করেছে বিএনপি। দলটির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের লাশ নিয়ে আওয়ামী মন্ত্রী-নেতাদের মধ্যে রুচিহীন বক্তব্যের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। প্রতিযোগিতা এজন্য যে, যার বক্তব্য যত ঘৃণ্য ও অসত্য হবে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্স এসব কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, ‘শহীদ জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী মিথ্যাচার তাদের ভ্রষ্টাচার ছাড়া কিছু নয়। এসব আওয়ামী প্রযোজিত ও পরিচালিত নষ্ট রাজনীতির উপাদান মাত্র। তাদের এসব বক্তব্যে জনগণের কাছে পরিষ্কার যে, সরকারের পায়ের নিচের সর্বশেষ মাটিটুকুও আর অবশিষ্ট নেই।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বীরউত্তম’ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন নতুন করে তার লাশ, মাজার এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান নিয়ে আপত্তিকর, নির্মম, নিষ্ঠুর ও ঘৃণ্য মিথ্যাচার শুরু করেছে। আসলে শহীদ জিয়ার বিপুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে তার লাশ, মাজার ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান নিয়ে অশালীন ও ঘৃণিত বক্তব্য প্রদানের পর থেকে আওয়ামী মন্ত্রী-নেতারা অতি উৎসাহে এ বিষয়ে মিথ্যাচার শুরু করেছেন।’

প্রিন্স বলেন, ‘দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতা, গণতন্ত্র-ভোটাধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার হরণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও লুটপাটকে আড়াল করতে এবং করোনা মোকাবেলার ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এ ধরনের মিথ্যাচার করছেন সরকারের মন্ত্রীরা।’

‘জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের লাশ পেলে নাকে খত দেব’ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রিন্স বলেন, ‘লাশের ডিএনএ টেস্টসহ তার লাশ কবর থেকে সরানো কথাও মন্ত্রী বলেছেন। একজন মন্ত্রী কতটা আদবের বরখেলাপ করলে এমন বক্তব্য রাখতে পারেন তা জাতির কাছে সহজেই অনুমেয়। মিথ্যা প্রলাপকারী এসব অর্বাচীন মন্ত্রী-নেতাকে জিজ্ঞেস করতে চাই- মুক্তিযুদ্ধকালীন তারা কোন রণাঙ্গনের কোন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন? তাদের মতো লোকদের একমাত্র কাজ হচ্ছে মিথ্যাচার, বিষোদগার, চরিত্র হনন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

‘জিয়ার লাশ নিয়ে রুচিহীন বক্তব্যের প্রতিযোগিতা চলছে’

আপডেট সময় ১১:০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর চন্রিিথমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লাশ নেই- আওয়ামী লীগের নেতা ও মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যকে রুচিহীন বলে দাবি করেছে বিএনপি। দলটির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের লাশ নিয়ে আওয়ামী মন্ত্রী-নেতাদের মধ্যে রুচিহীন বক্তব্যের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। প্রতিযোগিতা এজন্য যে, যার বক্তব্য যত ঘৃণ্য ও অসত্য হবে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্স এসব কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, ‘শহীদ জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী মিথ্যাচার তাদের ভ্রষ্টাচার ছাড়া কিছু নয়। এসব আওয়ামী প্রযোজিত ও পরিচালিত নষ্ট রাজনীতির উপাদান মাত্র। তাদের এসব বক্তব্যে জনগণের কাছে পরিষ্কার যে, সরকারের পায়ের নিচের সর্বশেষ মাটিটুকুও আর অবশিষ্ট নেই।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বীরউত্তম’ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন নতুন করে তার লাশ, মাজার এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান নিয়ে আপত্তিকর, নির্মম, নিষ্ঠুর ও ঘৃণ্য মিথ্যাচার শুরু করেছে। আসলে শহীদ জিয়ার বিপুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে তার লাশ, মাজার ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান নিয়ে অশালীন ও ঘৃণিত বক্তব্য প্রদানের পর থেকে আওয়ামী মন্ত্রী-নেতারা অতি উৎসাহে এ বিষয়ে মিথ্যাচার শুরু করেছেন।’

প্রিন্স বলেন, ‘দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতা, গণতন্ত্র-ভোটাধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার হরণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও লুটপাটকে আড়াল করতে এবং করোনা মোকাবেলার ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এ ধরনের মিথ্যাচার করছেন সরকারের মন্ত্রীরা।’

‘জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের লাশ পেলে নাকে খত দেব’ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রিন্স বলেন, ‘লাশের ডিএনএ টেস্টসহ তার লাশ কবর থেকে সরানো কথাও মন্ত্রী বলেছেন। একজন মন্ত্রী কতটা আদবের বরখেলাপ করলে এমন বক্তব্য রাখতে পারেন তা জাতির কাছে সহজেই অনুমেয়। মিথ্যা প্রলাপকারী এসব অর্বাচীন মন্ত্রী-নেতাকে জিজ্ঞেস করতে চাই- মুক্তিযুদ্ধকালীন তারা কোন রণাঙ্গনের কোন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন? তাদের মতো লোকদের একমাত্র কাজ হচ্ছে মিথ্যাচার, বিষোদগার, চরিত্র হনন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি।’