ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

অনুমোদন পেল আরও ৯ ব্রোকার হাউজ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফায় আরও নয়টি ব্রোকার হাউজকে শেয়ার কেনাবেচা (লেনদেন) করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর এতে করে গত তিন মাসে মোট ৫৫ ব্রোকার হাউজকে শেয়ার ব্যবসার জন্য ট্রেকের অনুমোদন দিল সংস্থাটি।

গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঠিয়েছে বিএসইসি।

নতুন করে শেয়ার ব্যবসার জন্য অনুমোদন পাওয়া ট্রেকগুলো হলো- অ্যাসুরেন্ট সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, মেট্রিক্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সিএএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবসিডিয়ারি এসবিআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইংস ফিন লিমিটেড, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেড, ইনোভা সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ডিপি সেভেন লিমিটেড।

আইন অনুসারে, একটি ট্রেকের জন্য নিবন্ধন ফি এক কোটি টাকা। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ট্রেক পাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হয়। ট্রেক নেওয়ার জন্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তিন কোটি টাকা জামানত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে।

জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার জন্য চার কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের জন্য পাঁচ কোটি টাকা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে এক লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে আইনে।

তারল্য সংকট দূর করে পুঁজিবাজারের পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের ১৯ মে প্রথম দফায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ট্রেকের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬টি ট্রেকের অনুমোদন দেওয়ার জন্য গত ২১ জুন ডিএসইকে চিঠি দেয় বিএসইসি। গ্রাহকদের শেয়ার লেনদেন করতে যেকোনো কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না।

শুধু শেয়ার, বন্ড ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকারের সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে ট্রেক পেতে যেসব আবেদন জমা রয়েছে, তার মধ্যে চারটি কোম্পানিকে তাদের সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংঘস্মারক পরিবর্তন না করলে তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

অনুমোদন পেল আরও ৯ ব্রোকার হাউজ

আপডেট সময় ০১:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফায় আরও নয়টি ব্রোকার হাউজকে শেয়ার কেনাবেচা (লেনদেন) করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর এতে করে গত তিন মাসে মোট ৫৫ ব্রোকার হাউজকে শেয়ার ব্যবসার জন্য ট্রেকের অনুমোদন দিল সংস্থাটি।

গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঠিয়েছে বিএসইসি।

নতুন করে শেয়ার ব্যবসার জন্য অনুমোদন পাওয়া ট্রেকগুলো হলো- অ্যাসুরেন্ট সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, মেট্রিক্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সিএএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবসিডিয়ারি এসবিআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইংস ফিন লিমিটেড, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেড, ইনোভা সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ডিপি সেভেন লিমিটেড।

আইন অনুসারে, একটি ট্রেকের জন্য নিবন্ধন ফি এক কোটি টাকা। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ট্রেক পাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হয়। ট্রেক নেওয়ার জন্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তিন কোটি টাকা জামানত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে।

জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার জন্য চার কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের জন্য পাঁচ কোটি টাকা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে এক লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে আইনে।

তারল্য সংকট দূর করে পুঁজিবাজারের পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের ১৯ মে প্রথম দফায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ট্রেকের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬টি ট্রেকের অনুমোদন দেওয়ার জন্য গত ২১ জুন ডিএসইকে চিঠি দেয় বিএসইসি। গ্রাহকদের শেয়ার লেনদেন করতে যেকোনো কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না।

শুধু শেয়ার, বন্ড ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকারের সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে ট্রেক পেতে যেসব আবেদন জমা রয়েছে, তার মধ্যে চারটি কোম্পানিকে তাদের সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংঘস্মারক পরিবর্তন না করলে তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।