ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

এবার দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ সেই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অস্ত্র মামলায় গ্রেফতারকৃত টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান ওরফে মোর্শেদের বিরুদ্ধে এবার দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোর্শেদের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন (৫৬) বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম মামলাটি গ্রহণ করেন। তিনি এ হত্যার বিষয়ে কোনো মামলা বা তদন্ত হয়েছিল কিনা সেই বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মোর্শেদ ছাড়া আরও আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন- শহরের বিশ্বাসবেতকা এলাকার মুন্সী তারেক পটন (৪৯), পারভেজ খান ওরফে রনি (৩৬), সোহেল ওরফে বাবু (২৭), অন্তর সূত্রধর (২৭), মোর্শেদের প্রথম স্ত্রী সুমা ওরফে মনা (৪৫), মুন্সী তারেক পটনের স্ত্রী লিনা (৪০), রাফসান (২৮), আয়নাল মিয়া (৪৫)।

মামলায় বাদী সৈয়দ শরিফ উদ্দিন অভিযোগ করেন, মোর্শেদের বাসার পাশে তিনি পরিবার নিয়ে বাসা ভাড়া থাকতেন। ২০১২ সালের জুন মাসে তার মেয়ে সৈয়দ আমেনা পিংকিকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করে। পরে ১৭নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফার মাধ্যমে মোর্শেদ পিংকিকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর জোর করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের বালাম বই থেকে মোর্শেদ তাদের কাবিননামা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। তাদের সংসারে ছয় বছরের একটি মেয়েও রয়েছে।

দুই স্ত্রী থাকায় মোর্শেদের পরিবারে মাঝে মধ্যেই ঝগড়া সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে ওই এলাকার এক বাসায় দাওয়াতের কথা বলে মোর্শেদ পিংকিকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় মোর্শেদ পিংকিকে হত্যা করে লাশ গুম করে। এত দিন মোর্শেদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাননি বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদকে গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌরসভার সামনে থেকে গ্রেফতার করে। আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একডজন মামলা হয়েছে বিভিন্ন সময়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

এবার দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ সেই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৮:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অস্ত্র মামলায় গ্রেফতারকৃত টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান ওরফে মোর্শেদের বিরুদ্ধে এবার দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোর্শেদের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন (৫৬) বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম মামলাটি গ্রহণ করেন। তিনি এ হত্যার বিষয়ে কোনো মামলা বা তদন্ত হয়েছিল কিনা সেই বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মোর্শেদ ছাড়া আরও আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন- শহরের বিশ্বাসবেতকা এলাকার মুন্সী তারেক পটন (৪৯), পারভেজ খান ওরফে রনি (৩৬), সোহেল ওরফে বাবু (২৭), অন্তর সূত্রধর (২৭), মোর্শেদের প্রথম স্ত্রী সুমা ওরফে মনা (৪৫), মুন্সী তারেক পটনের স্ত্রী লিনা (৪০), রাফসান (২৮), আয়নাল মিয়া (৪৫)।

মামলায় বাদী সৈয়দ শরিফ উদ্দিন অভিযোগ করেন, মোর্শেদের বাসার পাশে তিনি পরিবার নিয়ে বাসা ভাড়া থাকতেন। ২০১২ সালের জুন মাসে তার মেয়ে সৈয়দ আমেনা পিংকিকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করে। পরে ১৭নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফার মাধ্যমে মোর্শেদ পিংকিকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর জোর করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের বালাম বই থেকে মোর্শেদ তাদের কাবিননামা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। তাদের সংসারে ছয় বছরের একটি মেয়েও রয়েছে।

দুই স্ত্রী থাকায় মোর্শেদের পরিবারে মাঝে মধ্যেই ঝগড়া সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে ওই এলাকার এক বাসায় দাওয়াতের কথা বলে মোর্শেদ পিংকিকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় মোর্শেদ পিংকিকে হত্যা করে লাশ গুম করে। এত দিন মোর্শেদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাননি বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদকে গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌরসভার সামনে থেকে গ্রেফতার করে। আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একডজন মামলা হয়েছে বিভিন্ন সময়।