ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

যেকোনো সময় স্কুল খোলা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা পরিস্থিতি কমে গেলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো সময় স্কুল খোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

তিনি বলেছেন, ছাত্রদের ওয়ার্কশিট (অ্যাসাইনমেন্ট) দেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে এবং সশরীরে পরীক্ষা নিতে না পারলে পরবর্তীতে শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, আগে আমাদের একটা পরিকল্পনা ছিল যে পার্ট পার্ট করে ক্লাস করবো। থ্রি, ফোর, ফাইভ হয়তো দুই দিন করবো। ওয়ান, টু একদিন একদিন করে করবো। এভাবে করতে চাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শর্ট সিলেবাসেরও একটা চিন্তা ভাবনা করছি। সেটা সমাপনীতেও ব্যবহার হবে। আমরা মূল্যায়ন করবো। কে কীভাবে কী করল, তার মূল্যায়নের ভিত্তিতে রেজাল্ট দেবে। সশরীরে পরীক্ষা যদি নিতে না পারি মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফল দেবে। স্কুল খুলতে পারলে পরীক্ষা নেব।

স্কুল খোলা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সেপ্টেম্বরে খুলতে হলে প্রস্তুতি আছে, অক্টোবরে খুলতেও প্রস্তুতি আছে। আমাদের ওয়ার্কশিট দেওয়া হচ্ছে সিলেবোস অনুযায়ী, এটিও একটি মূল্যায়ন। এই ওয়ার্কশিট দেওয়ার কারণে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২০-এও মূল্যায়নের ভিত্তিতে রেজাল্ট দিয়েছি। এবার করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক থাকলে আগের বারের মতো মূল্যায়ন করা হবে।

স্কুল খুললে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে সেই নির্দেশনা দেওয়াই আছে। প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষক ইতিমধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন, সবাইকে টিকা দেব।

জাকির হোসেন বলেন, স্কুলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেবে। আমরা অনলাইন ও অফলাইনে চিন্তা ভাবনা করছি। সংসদ টেলিভিশন, রেডিতে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অফলাইনে ওয়ার্কস শিট দিচ্ছি। সেগুলো তারা স্কুলে নিয়ে এসে শিক্ষকদের জমা দিচ্ছে। অনেক সময় ছাত্র ও অভিভাবকেরা জমা দিচ্ছে। এজন্য স্কুলগুলো খোলা রেখেছি। যাতে শিক্ষকরা স্কুলে যাবে এবং ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দিলে যেন স্কুল পরিচ্ছন্ন থাকে, পড়াশোনার পরিবেশ থাকে সেটা আমরা দেখতেছি।

স্কুল খোলার রূপরেখায় কী কী থাকছে- প্রশ্নে তিনি বলেন, উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ডব্লিউএইচও সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত তো লাগবে। স্কুল হুট করে তো খুলে দেওয়া যাবে না। আরো একটু স্বাভাবিক হলে হয়তো খোলা যেতে পারে।

সেক্ষেত্রে অক্টোবরের আগে তো খোলা সম্ভব নয়- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক বলতে পারবেন না। যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলে, যদি আজকে বলে আমরা কালকে প্রস্তুত আছি।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পরামর্শ কী ছিল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুল খোলার ব্যাপারে বিভিন্ন বিজ্ঞজন তো বলতেছেন। বিভিন্ন পেপার-পত্রিকায় বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে বলছে যে স্কুল খোলা দরকার।

‘আমরাও জানি দীর্ঘ দেড় বছর আমার বাচ্চা কাচ্চারা বাড়িতে আছে। নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। পড়াশোনা থেকে দূরে যাচ্ছে। অনলাইনের কারণে আমাদের কিছু ডিস্ট্রাব হচ্ছে। অনেকে বাজে গেমস খেলছে। এই যে কিশোর গ্যাং, কিশোরদের যখন পড়াশোনা থাকে না, স্কুল থাকে না তখন বিভিন্নভাবে আড্ডা দেয়। চরের বাচ্চাদের বাল্য বিবাহের কিছুটা প্রবণতা বাড়ছে। ’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো সময় স্কুল খোলা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা পরিস্থিতি কমে গেলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো সময় স্কুল খোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

তিনি বলেছেন, ছাত্রদের ওয়ার্কশিট (অ্যাসাইনমেন্ট) দেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে এবং সশরীরে পরীক্ষা নিতে না পারলে পরবর্তীতে শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, আগে আমাদের একটা পরিকল্পনা ছিল যে পার্ট পার্ট করে ক্লাস করবো। থ্রি, ফোর, ফাইভ হয়তো দুই দিন করবো। ওয়ান, টু একদিন একদিন করে করবো। এভাবে করতে চাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শর্ট সিলেবাসেরও একটা চিন্তা ভাবনা করছি। সেটা সমাপনীতেও ব্যবহার হবে। আমরা মূল্যায়ন করবো। কে কীভাবে কী করল, তার মূল্যায়নের ভিত্তিতে রেজাল্ট দেবে। সশরীরে পরীক্ষা যদি নিতে না পারি মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফল দেবে। স্কুল খুলতে পারলে পরীক্ষা নেব।

স্কুল খোলা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সেপ্টেম্বরে খুলতে হলে প্রস্তুতি আছে, অক্টোবরে খুলতেও প্রস্তুতি আছে। আমাদের ওয়ার্কশিট দেওয়া হচ্ছে সিলেবোস অনুযায়ী, এটিও একটি মূল্যায়ন। এই ওয়ার্কশিট দেওয়ার কারণে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২০-এও মূল্যায়নের ভিত্তিতে রেজাল্ট দিয়েছি। এবার করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক থাকলে আগের বারের মতো মূল্যায়ন করা হবে।

স্কুল খুললে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে সেই নির্দেশনা দেওয়াই আছে। প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষক ইতিমধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন, সবাইকে টিকা দেব।

জাকির হোসেন বলেন, স্কুলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেবে। আমরা অনলাইন ও অফলাইনে চিন্তা ভাবনা করছি। সংসদ টেলিভিশন, রেডিতে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অফলাইনে ওয়ার্কস শিট দিচ্ছি। সেগুলো তারা স্কুলে নিয়ে এসে শিক্ষকদের জমা দিচ্ছে। অনেক সময় ছাত্র ও অভিভাবকেরা জমা দিচ্ছে। এজন্য স্কুলগুলো খোলা রেখেছি। যাতে শিক্ষকরা স্কুলে যাবে এবং ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দিলে যেন স্কুল পরিচ্ছন্ন থাকে, পড়াশোনার পরিবেশ থাকে সেটা আমরা দেখতেছি।

স্কুল খোলার রূপরেখায় কী কী থাকছে- প্রশ্নে তিনি বলেন, উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ডব্লিউএইচও সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত তো লাগবে। স্কুল হুট করে তো খুলে দেওয়া যাবে না। আরো একটু স্বাভাবিক হলে হয়তো খোলা যেতে পারে।

সেক্ষেত্রে অক্টোবরের আগে তো খোলা সম্ভব নয়- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক বলতে পারবেন না। যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলে, যদি আজকে বলে আমরা কালকে প্রস্তুত আছি।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পরামর্শ কী ছিল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুল খোলার ব্যাপারে বিভিন্ন বিজ্ঞজন তো বলতেছেন। বিভিন্ন পেপার-পত্রিকায় বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে বলছে যে স্কুল খোলা দরকার।

‘আমরাও জানি দীর্ঘ দেড় বছর আমার বাচ্চা কাচ্চারা বাড়িতে আছে। নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। পড়াশোনা থেকে দূরে যাচ্ছে। অনলাইনের কারণে আমাদের কিছু ডিস্ট্রাব হচ্ছে। অনেকে বাজে গেমস খেলছে। এই যে কিশোর গ্যাং, কিশোরদের যখন পড়াশোনা থাকে না, স্কুল থাকে না তখন বিভিন্নভাবে আড্ডা দেয়। চরের বাচ্চাদের বাল্য বিবাহের কিছুটা প্রবণতা বাড়ছে। ’