ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

রাজনীতির নামে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে আমরা বসে থাকব না:প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশে একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন।’ উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতির নামে যদি কেউ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, রাজনীতির নামে যদি কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় আপনারা কি বসে থাকবেন? আমরা কেউ বসে থাকব না। শক্ত হাতে প্রতিহত করব।’

শনিবার (১৬ মে) বিকালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিএনপির দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানে খাল খনন, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন মিল কারখানা তৈরি, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই অনুষ্ঠান হয়।

চাঁদপুর ছাড়াও আরও ২০টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও পরে দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারী- হাসিনা খাতুন, সোহাগী আখতার, ফাতেমা খাতুন, আমেনা খাতুন, মোসেদা বেগম, মনোয়ারা বেগম,মাহমুদা খাতুন, রুমা আখতার, নাজমা বেগম এবং তাসলিমার হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর ল্যাবটপের বাটম টিপের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদপুরসহ আরও ২০টি জেলার সুবিধাভোগী (১৫ হাজার নারী) প্রত্যেকের কাছে নগদ অর্থ (আড়াই হাজার টাকা) চলে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এর প্রত্যেকটি কর্মসূচি হচ্ছে এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের স্বার্থে। আর এ লক্ষ্যেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। দেশের মানুষ এখন নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এখন হচ্ছে আমাদের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পালা।’

প্রধানমন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এখন সময় কাজ করার, এখন সময় দেশ গড়ার। তাই আসুন দেশ গড়ার কাজে নেমে পড়ি। এই জনসভায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই যাতে আমাদের দেশ গড়ার পথে কেউ বাধাগ্রস্ত না করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা এই শর্তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

এ সময় চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন দাবির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সমর্থনের কথা জানান।

দেশের মানুষ শান্তি চায়, স্থিতিশীলতা চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু মানুষ একটি মহল বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি করছে। আজকে আপনাদেরকে সামনে রেখে আমি পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আমরা দেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম দেশের মানুষ তার পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই আমরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজে হাত দিয়েছি। এসব প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমিকভাবে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

ফ্যামিলি কার্ডের এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

রাজনীতির নামে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে আমরা বসে থাকব না:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশে একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন।’ উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতির নামে যদি কেউ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, রাজনীতির নামে যদি কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় আপনারা কি বসে থাকবেন? আমরা কেউ বসে থাকব না। শক্ত হাতে প্রতিহত করব।’

শনিবার (১৬ মে) বিকালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিএনপির দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানে খাল খনন, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন মিল কারখানা তৈরি, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই অনুষ্ঠান হয়।

চাঁদপুর ছাড়াও আরও ২০টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও পরে দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারী- হাসিনা খাতুন, সোহাগী আখতার, ফাতেমা খাতুন, আমেনা খাতুন, মোসেদা বেগম, মনোয়ারা বেগম,মাহমুদা খাতুন, রুমা আখতার, নাজমা বেগম এবং তাসলিমার হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর ল্যাবটপের বাটম টিপের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদপুরসহ আরও ২০টি জেলার সুবিধাভোগী (১৫ হাজার নারী) প্রত্যেকের কাছে নগদ অর্থ (আড়াই হাজার টাকা) চলে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এর প্রত্যেকটি কর্মসূচি হচ্ছে এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের স্বার্থে। আর এ লক্ষ্যেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। দেশের মানুষ এখন নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এখন হচ্ছে আমাদের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পালা।’

প্রধানমন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এখন সময় কাজ করার, এখন সময় দেশ গড়ার। তাই আসুন দেশ গড়ার কাজে নেমে পড়ি। এই জনসভায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই যাতে আমাদের দেশ গড়ার পথে কেউ বাধাগ্রস্ত না করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা এই শর্তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

এ সময় চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন দাবির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সমর্থনের কথা জানান।

দেশের মানুষ শান্তি চায়, স্থিতিশীলতা চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু মানুষ একটি মহল বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি করছে। আজকে আপনাদেরকে সামনে রেখে আমি পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আমরা দেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম দেশের মানুষ তার পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই আমরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজে হাত দিয়েছি। এসব প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমিকভাবে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

ফ্যামিলি কার্ডের এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।