ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন।

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন।

ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন।

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন।

ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’