ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

প্রেম করে বিয়ে, স্ত্রীকে তালাক দিয়ে যুবলীগ নেতার দুধ দিয়ে গোসল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রেম করে বিয়ে করা স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুধ দিয়ে গোসল করেছেন অমিত রাজ নামে এক যুবলীগ নেতা। দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে শুদ্ধ করেছেন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গোসলের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

শনিবার বিকালে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুধ দিয়ে গোসলের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অমিত রাজ বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে এবং বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক।

জানা গেছে, অমিত রাজ টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে টুম্পার সঙ্গে প্রেম করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর তাদের একটি তিন বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহের জেরে দুজনের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। তিন মাস আগে টুম্পা তার স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে যান। এ ঘটনায় অমিত রাজ মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

অপরদিকে টুম্পা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন। পরে এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করেন। গতকাল শনিবার ডিবি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন জেলা ডিবি কার্যালয়ে দুইপক্ষ নিয়ে সালিশি বৈঠকে বসেন।

সালিশে দুইপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে টুম্পা ডিভোর্স মেনে নেন। পরে তাৎক্ষণিক নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ হয়। অমিত স্ত্রীকে তিন লাখ টাকা দিয়ে শিশুসন্তানকে নিয়ে বাড়ি চলে আসেন।

অমিত রাজ বলেন, বিচ্ছেদের পর আইনিভাবে ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমার দাদি দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন। এখন আমার কোনো অশান্তি নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

প্রেম করে বিয়ে, স্ত্রীকে তালাক দিয়ে যুবলীগ নেতার দুধ দিয়ে গোসল

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রেম করে বিয়ে করা স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুধ দিয়ে গোসল করেছেন অমিত রাজ নামে এক যুবলীগ নেতা। দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে শুদ্ধ করেছেন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গোসলের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

শনিবার বিকালে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুধ দিয়ে গোসলের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অমিত রাজ বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে এবং বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক।

জানা গেছে, অমিত রাজ টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে টুম্পার সঙ্গে প্রেম করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর তাদের একটি তিন বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহের জেরে দুজনের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। তিন মাস আগে টুম্পা তার স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে যান। এ ঘটনায় অমিত রাজ মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

অপরদিকে টুম্পা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন। পরে এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করেন। গতকাল শনিবার ডিবি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন জেলা ডিবি কার্যালয়ে দুইপক্ষ নিয়ে সালিশি বৈঠকে বসেন।

সালিশে দুইপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে টুম্পা ডিভোর্স মেনে নেন। পরে তাৎক্ষণিক নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ হয়। অমিত স্ত্রীকে তিন লাখ টাকা দিয়ে শিশুসন্তানকে নিয়ে বাড়ি চলে আসেন।

অমিত রাজ বলেন, বিচ্ছেদের পর আইনিভাবে ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমার দাদি দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন। এখন আমার কোনো অশান্তি নেই।