ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

ভারতীয় ভিসা করতে যাচ্ছেন? অবশ্যই জানুন এই বিষয়গুলো

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় ভিসা পাওয়া দিনে দিনে আরও সহজ হচ্ছে ঠিকই তবে সামান্য ভুলের কারণে ভোগান্তি বেড়ে যেতে পারে অনেক গুণে। অবশ্যই তথ্যগত ভুল বা সামান্য অবহেলার কারণে সুন্দর একটি ট্যুরের পরিকল্পনা মিস করতে চাইবেন না আপনি। তাই কিছু সাধারণ তথ্য জেনে রাখুন, না জানলে হয়ত এগুলোই হবে আপনার অসাধারণ দূর্ভোগের কারণ!

১। ভারতীয় ভিসা অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এটা সবার জন্য বাধ্যতামূলক!

২। আবেদন ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য হাতের কাছে রাখুন। প্রয়োজনে একজনকে সাথে নিন যিনি আপনার তথ্যগুলো বলে দেবেন। ফর্ম ফিলাপের সময় বেঁধে দেওয়া থাকে। সেই সময়ের মধ্যে পূরণ করতে না পারলে আবার শুরু থেকে পূরণ করতে হয়। ‘সেভ’ করার সুযোগ আছে। বার বার সেভ করুন, তাহলে একই তথ্য আবার লেখার কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন।।

৩। ভিসা আবেদন ফর্ম জমা দিতে হবে নিকটস্থ আবেদনকেন্দ্রে। আপনি ভিসা ঢাকায় বসে অনলাইনে এপ্লাই করলেন। কিন্তু আপনি থাকেন যশোর বা অন্য কোথাও। আপনার আবাসিক স্থলের কাছের কেন্দ্রেই আপনাকে যেতে হবে। ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৪। যারা ঢাকায় আছেন তারা গুলশান, মতিঝিল, উত্তরা, মিরপুর আইভ্যাক সেন্টারে জমা দিতে পারবেন আপনার আবেদন ফর্মটি। সিলেট বিভাগের নাগরিকগণ সিলেটে, খুলনা বিভাগের নাগরিকরা খুলনায়, বরিশালের নাগরিক বরিশালে অর্থাৎ প্রত্যেক বিভাগে আলাদা আইভেক সেন্টার আছে এবং আপনার আবাসন অনুযায়ী আপনি সেখানেই জমা দেবেন। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার স্থায়ী ঠিকানা যেখানে সেখানে জমা দিতে হবে। আপনি বর্তমানে হয় ঢাকায় চাকরি করছেন, তাহলে ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় বেড়াতে এসে ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৫। বাংলাদেশি ছাড়া এদেশে অবস্থানরত অন্যান্য দেশের নাগরিকরা গুলশান ও চট্টগ্রাম আইভ্যাকে আবেদন ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

৬। একজন আবেদনকারীর জন্য ফর্ম একটাই। তবে আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেন বা কিছু ভুল করে থাকেন তাহলে সংশোধনের উপায় নেই। তখন আরেকটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

৭। অনলাইনে প্রাপ্ত এপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন নিয়ে উক্ত তারিখেই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে।

৮। কনফার্ম ভ্রমণ টিকিট থাকলে নির্দিষ্ট সেন্টারে আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে যে কোনোদিন ফর্ম জমা দিতে পারবেন। তবে দ্রুত যাওয়াই ভালো।

৯। আপনার আবেদনপত্রটি গৃহীত হল কিনা সেই আপডেট জানতে আপনি আইভ্যাকের টেলিফোন বা ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং আবেদন পত্রের স্টিকার নাম্বার বলতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ভারতীয় ভিসা করতে যাচ্ছেন? অবশ্যই জানুন এই বিষয়গুলো

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় ভিসা পাওয়া দিনে দিনে আরও সহজ হচ্ছে ঠিকই তবে সামান্য ভুলের কারণে ভোগান্তি বেড়ে যেতে পারে অনেক গুণে। অবশ্যই তথ্যগত ভুল বা সামান্য অবহেলার কারণে সুন্দর একটি ট্যুরের পরিকল্পনা মিস করতে চাইবেন না আপনি। তাই কিছু সাধারণ তথ্য জেনে রাখুন, না জানলে হয়ত এগুলোই হবে আপনার অসাধারণ দূর্ভোগের কারণ!

১। ভারতীয় ভিসা অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এটা সবার জন্য বাধ্যতামূলক!

২। আবেদন ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য হাতের কাছে রাখুন। প্রয়োজনে একজনকে সাথে নিন যিনি আপনার তথ্যগুলো বলে দেবেন। ফর্ম ফিলাপের সময় বেঁধে দেওয়া থাকে। সেই সময়ের মধ্যে পূরণ করতে না পারলে আবার শুরু থেকে পূরণ করতে হয়। ‘সেভ’ করার সুযোগ আছে। বার বার সেভ করুন, তাহলে একই তথ্য আবার লেখার কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন।।

৩। ভিসা আবেদন ফর্ম জমা দিতে হবে নিকটস্থ আবেদনকেন্দ্রে। আপনি ভিসা ঢাকায় বসে অনলাইনে এপ্লাই করলেন। কিন্তু আপনি থাকেন যশোর বা অন্য কোথাও। আপনার আবাসিক স্থলের কাছের কেন্দ্রেই আপনাকে যেতে হবে। ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৪। যারা ঢাকায় আছেন তারা গুলশান, মতিঝিল, উত্তরা, মিরপুর আইভ্যাক সেন্টারে জমা দিতে পারবেন আপনার আবেদন ফর্মটি। সিলেট বিভাগের নাগরিকগণ সিলেটে, খুলনা বিভাগের নাগরিকরা খুলনায়, বরিশালের নাগরিক বরিশালে অর্থাৎ প্রত্যেক বিভাগে আলাদা আইভেক সেন্টার আছে এবং আপনার আবাসন অনুযায়ী আপনি সেখানেই জমা দেবেন। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার স্থায়ী ঠিকানা যেখানে সেখানে জমা দিতে হবে। আপনি বর্তমানে হয় ঢাকায় চাকরি করছেন, তাহলে ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় বেড়াতে এসে ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৫। বাংলাদেশি ছাড়া এদেশে অবস্থানরত অন্যান্য দেশের নাগরিকরা গুলশান ও চট্টগ্রাম আইভ্যাকে আবেদন ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

৬। একজন আবেদনকারীর জন্য ফর্ম একটাই। তবে আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেন বা কিছু ভুল করে থাকেন তাহলে সংশোধনের উপায় নেই। তখন আরেকটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

৭। অনলাইনে প্রাপ্ত এপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন নিয়ে উক্ত তারিখেই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে।

৮। কনফার্ম ভ্রমণ টিকিট থাকলে নির্দিষ্ট সেন্টারে আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে যে কোনোদিন ফর্ম জমা দিতে পারবেন। তবে দ্রুত যাওয়াই ভালো।

৯। আপনার আবেদনপত্রটি গৃহীত হল কিনা সেই আপডেট জানতে আপনি আইভ্যাকের টেলিফোন বা ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং আবেদন পত্রের স্টিকার নাম্বার বলতে হবে।