ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রতীকী ক্লাসেই কি খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়?

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা অতিমারিতে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রম। সংগত কারণে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন নানামুখী সংকটে।

কিন্তু সব কিছু সীমিত পরিসরে বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্মুক্ত করা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পিছিয়েছে একের পর এক।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খোলা আকাশের নিচে প্রতীকী ক্লাসের আয়োজন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এ ধরনের প্রতীকী ক্লাস ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও হয়েছে। ঢাবিতেও রাজপথে প্রতীকী ক্লাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত পুরোটা সরকারের ওপর নির্ভর করবে। তবে প্রতীকী ক্লাস এক ধরনের প্রতিবাদ। এ ধরনের কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক হল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে আন্দোলনকারীরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। আবার একটি অংশ করোনা সংক্রমণের মধ্যে এ দাবিকে দেখছেন নেতিবাচকভাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাওসিফ রহমান বলেন, প্রতীকী ক্লাস একটি বার্তা বহন করে। আবার সংক্রমণের মধ্যে দ্রুত হল খোলা হলে কোনো শিক্ষার্থী যদি আক্রান্ত হয়ে মারা যান, তখন আবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের জন্য আন্দোলন শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসিক ও আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টিকা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত খুলে দেওয়া উচিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রতীকী ক্লাস একটি প্রতিবাদ হিসেবে দেখছি।

ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. রহমত উল্লাহবলেন, প্রতীকী ক্লাস একটি আলোচনায় আসার কর্মসূচি। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমার বিভাগে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে প্রতিটি সেমিস্টার দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেটি বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীরা ২০২৩ সালের মধ্যে অনার্স শেষ করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাবিতে প্রতীকী ক্লাস তেমন কিছুই বয়ে আনবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ ভাগ শিক্ষার্থী ঢাকার বাইরের। তাদের আবাসন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। হলে শিক্ষার্থীরা চার জনের কক্ষে ২০ জন থাকেন। সবার টিকা নিশ্চিত করে তারপর হল খুলতে হবে। আমরা আশা করছি, টিকা বা প্রতিষেধক দ্রুত উৎপাদন হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিরতির পর নতুন রূপ নিয়ে ফিরছেন রাইমা সেন

প্রতীকী ক্লাসেই কি খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়?

আপডেট সময় ১০:১৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা অতিমারিতে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রম। সংগত কারণে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন নানামুখী সংকটে।

কিন্তু সব কিছু সীমিত পরিসরে বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্মুক্ত করা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পিছিয়েছে একের পর এক।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খোলা আকাশের নিচে প্রতীকী ক্লাসের আয়োজন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এ ধরনের প্রতীকী ক্লাস ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও হয়েছে। ঢাবিতেও রাজপথে প্রতীকী ক্লাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত পুরোটা সরকারের ওপর নির্ভর করবে। তবে প্রতীকী ক্লাস এক ধরনের প্রতিবাদ। এ ধরনের কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক হল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে আন্দোলনকারীরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। আবার একটি অংশ করোনা সংক্রমণের মধ্যে এ দাবিকে দেখছেন নেতিবাচকভাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাওসিফ রহমান বলেন, প্রতীকী ক্লাস একটি বার্তা বহন করে। আবার সংক্রমণের মধ্যে দ্রুত হল খোলা হলে কোনো শিক্ষার্থী যদি আক্রান্ত হয়ে মারা যান, তখন আবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের জন্য আন্দোলন শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসিক ও আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টিকা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত খুলে দেওয়া উচিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রতীকী ক্লাস একটি প্রতিবাদ হিসেবে দেখছি।

ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. রহমত উল্লাহবলেন, প্রতীকী ক্লাস একটি আলোচনায় আসার কর্মসূচি। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমার বিভাগে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে প্রতিটি সেমিস্টার দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেটি বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীরা ২০২৩ সালের মধ্যে অনার্স শেষ করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাবিতে প্রতীকী ক্লাস তেমন কিছুই বয়ে আনবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ ভাগ শিক্ষার্থী ঢাকার বাইরের। তাদের আবাসন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। হলে শিক্ষার্থীরা চার জনের কক্ষে ২০ জন থাকেন। সবার টিকা নিশ্চিত করে তারপর হল খুলতে হবে। আমরা আশা করছি, টিকা বা প্রতিষেধক দ্রুত উৎপাদন হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।