ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরবর্তী সরকারের জন্য একটি স্বস্তিকর অর্থনীতি রেখে যাচ্ছি : অর্থ উপদেষ্টা নুরের নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগ বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদের লাশ উদ্ধার নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা: আইজিপি টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন পশ্চিম তীরে ইসরাইলের তৎপরতায় উদ্বেগ, কঠোর সতর্কবার্তা আব্বাসের জাতির উদ্দেশে ভাষণ, অতীতের ভুল-ত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভোট চাইলেন তারেক রহমান অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ পাবনায় দুই বাসের মুখিমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

পলাতক খুনিদের শিগগির ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রবিবার রাজধানীর ধোলাইপাড়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘খুনিদের বিচারের রায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখনো চারজন খুনি বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন। একজন যুক্তরাষ্ট্রে (রাশেদ চৌধুরী), একজন কানাডায় (নূর চৌধুরী)। সেখানে সরকারের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে। আমরা মনে করি, খুব শিগগিরই তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে পারব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আর যে দুজন (শরিফুল হক ডালিম ও কর্নেল রশীদ) আছেন, তাদেরকেও আমরা খুঁজছি। যেকোনো সময় তাদেরকেও আইডেন্টিফাই করে আমরা দেশে নিয়ে এসে শাস্তির (মৃত্যুদণ্ড) ব্যবস্থা করব।’

যদিও বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনি পলাতক রয়েছেন। অপর পলাতক খুনি মুসলেহউদ্দীন রিসালদারের বিষয়ে কিছু বলেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘তারা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধু শেষ হলেই বোধহয় সব শেষ হয়ে যাবে, আবার পাকিস্তান কায়েম করতে পারবে। তাদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল, যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলেন। আমাদের হৃদয়ে যে কান্নাটা ছিল, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি বিলের মাধ্যমে বিচারের কাজটা আটকে রেখেছিল সেই খুনিরা। বঙ্গবন্ধুর খুনের বিচারও কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার দৃঢ়তা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে করেছেন। কোনো রক্ত চক্ষু কিংবা কোনো ভয়, হুমকি-ধামকিতে তিনি মাথা নত করেননি। তিনি তাদের বিচার করেছেন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ১৯ মিনিটের যে ভাষণটি দিয়েছিলেন, সেখানে যাওয়ার আগে বঙ্গমাতা তাকে বলে দিয়েছিলেন, তুমি যা হৃদয়ে ধারণ করে চলছ এতদিন, ২৩ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে যা তুমি অর্জন করতে চেয়েছ, তোমার হৃদয় থেকে যেটি আজকে আসে সেটিই তুমি আজকে বক্তব্যে বলবে, দেশের জনগণকে জানাবে। তিনি তাই করলেন।’

‘আমরা কাছে থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। বঙ্গবন্ধু এলেন। দু-একজনের বক্তব্যের পরই বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শুরু করলেন। তাকে অনেকে অনেক কাগজ দিলেন। অনেকেই কানে কানে অনেক কথা বললেন। কারো কথা কিন্তু বঙ্গবন্ধু শুনলেন না। তার হৃদয়ের কথাগুলো- যেগুলো তিনি বিশ্বাস করতেন, সেগুলোই তিনি একের পর এক বলে গেলেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পরবর্তী সরকারের জন্য একটি স্বস্তিকর অর্থনীতি রেখে যাচ্ছি : অর্থ উপদেষ্টা

পলাতক খুনিদের শিগগির ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রবিবার রাজধানীর ধোলাইপাড়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘খুনিদের বিচারের রায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখনো চারজন খুনি বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন। একজন যুক্তরাষ্ট্রে (রাশেদ চৌধুরী), একজন কানাডায় (নূর চৌধুরী)। সেখানে সরকারের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে। আমরা মনে করি, খুব শিগগিরই তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে পারব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আর যে দুজন (শরিফুল হক ডালিম ও কর্নেল রশীদ) আছেন, তাদেরকেও আমরা খুঁজছি। যেকোনো সময় তাদেরকেও আইডেন্টিফাই করে আমরা দেশে নিয়ে এসে শাস্তির (মৃত্যুদণ্ড) ব্যবস্থা করব।’

যদিও বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনি পলাতক রয়েছেন। অপর পলাতক খুনি মুসলেহউদ্দীন রিসালদারের বিষয়ে কিছু বলেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘তারা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধু শেষ হলেই বোধহয় সব শেষ হয়ে যাবে, আবার পাকিস্তান কায়েম করতে পারবে। তাদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল, যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলেন। আমাদের হৃদয়ে যে কান্নাটা ছিল, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি বিলের মাধ্যমে বিচারের কাজটা আটকে রেখেছিল সেই খুনিরা। বঙ্গবন্ধুর খুনের বিচারও কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার দৃঢ়তা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে করেছেন। কোনো রক্ত চক্ষু কিংবা কোনো ভয়, হুমকি-ধামকিতে তিনি মাথা নত করেননি। তিনি তাদের বিচার করেছেন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ১৯ মিনিটের যে ভাষণটি দিয়েছিলেন, সেখানে যাওয়ার আগে বঙ্গমাতা তাকে বলে দিয়েছিলেন, তুমি যা হৃদয়ে ধারণ করে চলছ এতদিন, ২৩ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে যা তুমি অর্জন করতে চেয়েছ, তোমার হৃদয় থেকে যেটি আজকে আসে সেটিই তুমি আজকে বক্তব্যে বলবে, দেশের জনগণকে জানাবে। তিনি তাই করলেন।’

‘আমরা কাছে থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। বঙ্গবন্ধু এলেন। দু-একজনের বক্তব্যের পরই বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শুরু করলেন। তাকে অনেকে অনেক কাগজ দিলেন। অনেকেই কানে কানে অনেক কথা বললেন। কারো কথা কিন্তু বঙ্গবন্ধু শুনলেন না। তার হৃদয়ের কথাগুলো- যেগুলো তিনি বিশ্বাস করতেন, সেগুলোই তিনি একের পর এক বলে গেলেন।’