আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ টেস্ট দল সবশেষ লাল বলের ক্রিকেট খেলেছে জিম্বাবুয়ে সফরে। এরপরে জাতীয় দল সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যস্ত সময় পার করলেও আগামী নভেম্বরের আগে মাঠে ফিরছে না লাল বলের খেলা। তবে দীর্ঘ এই সময়ে টেস্ট দলের মুমিনুল-সাইফ-সাদমান বা রাহিদের মত টেস্ট খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও স্কিলে ঘাটতি দেখা যেতে পারে। তাই এমন টেস্ট খেলোয়াড়দের সুযোগ হচ্ছে ‘এ’ দলের স্কোয়াডে।
বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়রা ‘এ’ দলের হয়ে বিসিবি হাই-পারফরম্যান্স দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে। তবে আগামী সপ্তাহেই জাতীয় দলের ক্রিকেটারসহ স্কোয়াড় ঘোষণা করবে বিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, ‘এ’ টিমের স্কোয়াড হবে ১৮ জনের। এখানে লাল বলের ক্রিকেটাররা আছেন। সামনের সপ্তাহে স্কোয়াড দেয়া হবে।
তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া হাইপারফরম্যান্স ইউনিটে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এইচপি দল। আগামী ২,৪ ও ৬ সেপ্টেম্বর চট্রগ্রামে ‘এ’ দলের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে খেলবে এইচপি দল। পরে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে দুটি চারদিনের ম্যাচ হবে।
বিসিবি প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, ‘চট্টগ্রামে আমাদের দুটি দল যাচ্ছে। একটা ‘এ’ দল, অন্যটা এইচপি। ‘এ’ দলে জাতীয় দলের টেস্টে খেলোয়াড়রা যাবে। যারা লাল বলের ক্রিকেট খেলে। ওখানে আমরা একটা সিরিজ আয়োজন করেছি এইচপি আর ‘এ’ দলের।’
জাতীয় দলের খেলার বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের অনুশীলনের সুযোগ করে দিতেই চট্রগ্রামে এই সিরিজের আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে বিসিবি প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকবে, প্র্যাকটিস সেশন ভালো হবে।’
করোনাভাইরাসের নানা প্রতিবন্ধকতা কাটানোর পরিকল্পনা নিয়ে খুব দ্রুতই ‘এ’ দলের সব ধরনের কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু করতে চাইছে বিসিবি। ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ ক্রিকেট মাঠে ফেরাতে চেষ্টা করছে জানিয়ে বিসিবি প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি, বায়োবাবলের কারণে সবখানেই সংগ্রাম করতে হচ্ছে। আশা করি পরিস্থিতি ২-১ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক হলেই ‘এ’ দলের প্রোগ্রাম শুরু করতে পারব। এখনও কোনো সিরিজ নেই। ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ চেষ্টা করছে। আশা করছি, আগামী ২-১ মাসের মধ্যে শুরু করতে পারব।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























