ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

ভয়ানক রুপ শিশুর, যা করল বাবা মা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সন্তানের জন্ম সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত। নয় মাস ধরে এই মুহূর্তটির জন্যই অপেক্ষা করে থাকেন মা-বাবা দু’জনেই। কিন্তু আলিগড়ের করিশ্মা-আরশাদের জীবনে যখন এই বহু আকাঙ্খিত সময়টি এসেছিল, নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁরা। সুস্থ সন্তানই জন্ম নিয়েছে। বলেছিলেন ডাক্তাররা। কিন্তু তাঁর রূপ ভিন্ন। তা যে এতটা ভিন্ন হবে কল্পনা করতে পারেননি দম্পতি।

ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে চোখ দু’টি। লাল টকটকে। নেই কান। নাকের স্থানে কেবল শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য দু’টি ছিদ্র রয়েছে। সন্তানের এমন চেহারা দেখে প্রথমে চমকে গিয়েছিলেন করিশ্মা-আরশাদ।

কিন্তু ডাক্তার তাঁদের আশ্বস্ত করেন দেখতে ভিন্ন হলেও সন্তানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। একটু সাবধানে রাখলে সুস্থভাবেই বাঁচতে পারবে সে। দেখতে যেমনই হোক তাঁরই তো শরীরের অঙ্গ। তাই মুখ ফিরিয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি করিশমা। প্রাথমিক বিহ্বলতা কাটিয়ে কোলে তুলে নেন তাঁকে। অল্প কিছুক্ষণে মন গলে যায় আরশাদেরও।

সন্তানকে বাড়ি নিয়ে আসেন দু’জনে। কিন্তু বাড়িতে এসে শুরু হয় নয়া বিপত্তি। কৌতূহলী প্রতিবেশীর ভিড় লেগে যায়। তারপর শুরু হয় কটাক্ষের পালা। অনেকেই করিশ্মা-আরশাদের ছেলেকে ‘এলিয়েন’ আখ্যা দিয়ে বসেন।

কেউ কেউ আবার পাপের ফল বলেও খোঁটা দেন। কিন্তু সমাজের এই কটাক্ষে কান দিতে রাজি নন আলিগড়ের দম্পতি। আড়াই বছরের একটি শিশুকন্যাও রয়েছে তাঁদের। তার মতোই স্বাভাবিকভাবে এই সন্তানকেও মানুষ করতে চান তাঁরা। এমন শিক্ষাই দিতে চান, যাতে জীবনের সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে সে এগিয়ে যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ভয়ানক রুপ শিশুর, যা করল বাবা মা

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সন্তানের জন্ম সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত। নয় মাস ধরে এই মুহূর্তটির জন্যই অপেক্ষা করে থাকেন মা-বাবা দু’জনেই। কিন্তু আলিগড়ের করিশ্মা-আরশাদের জীবনে যখন এই বহু আকাঙ্খিত সময়টি এসেছিল, নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁরা। সুস্থ সন্তানই জন্ম নিয়েছে। বলেছিলেন ডাক্তাররা। কিন্তু তাঁর রূপ ভিন্ন। তা যে এতটা ভিন্ন হবে কল্পনা করতে পারেননি দম্পতি।

ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে চোখ দু’টি। লাল টকটকে। নেই কান। নাকের স্থানে কেবল শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য দু’টি ছিদ্র রয়েছে। সন্তানের এমন চেহারা দেখে প্রথমে চমকে গিয়েছিলেন করিশ্মা-আরশাদ।

কিন্তু ডাক্তার তাঁদের আশ্বস্ত করেন দেখতে ভিন্ন হলেও সন্তানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। একটু সাবধানে রাখলে সুস্থভাবেই বাঁচতে পারবে সে। দেখতে যেমনই হোক তাঁরই তো শরীরের অঙ্গ। তাই মুখ ফিরিয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি করিশমা। প্রাথমিক বিহ্বলতা কাটিয়ে কোলে তুলে নেন তাঁকে। অল্প কিছুক্ষণে মন গলে যায় আরশাদেরও।

সন্তানকে বাড়ি নিয়ে আসেন দু’জনে। কিন্তু বাড়িতে এসে শুরু হয় নয়া বিপত্তি। কৌতূহলী প্রতিবেশীর ভিড় লেগে যায়। তারপর শুরু হয় কটাক্ষের পালা। অনেকেই করিশ্মা-আরশাদের ছেলেকে ‘এলিয়েন’ আখ্যা দিয়ে বসেন।

কেউ কেউ আবার পাপের ফল বলেও খোঁটা দেন। কিন্তু সমাজের এই কটাক্ষে কান দিতে রাজি নন আলিগড়ের দম্পতি। আড়াই বছরের একটি শিশুকন্যাও রয়েছে তাঁদের। তার মতোই স্বাভাবিকভাবে এই সন্তানকেও মানুষ করতে চান তাঁরা। এমন শিক্ষাই দিতে চান, যাতে জীবনের সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে সে এগিয়ে যেতে পারে।