ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

বাজেট বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন নীতিতে সরকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিগগিরই বিশ্ব মুক্তি পাচ্ছে না মহামারি করোনার হাত থেকে। তাতে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রলম্বিত হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। অবধারিতভাবে রাজস্ব আহরণেও এর প্রভাব পড়বে। এ কারণে বাজেট বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অর্থবছরের শুরুতে বড় ধরনের ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সরকারি যানবাহন কেনা বন্ধ, বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত, আপ্যায়ন ভাতাসহ অত্যাবশ্যক নয় এমন খরচ কমানো, কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থছাড় স্থগিত ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত রাজস্ব আয় কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয় সংকোচনের কৌশলের পথে হাঁটছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে অত্যন্ত ভালো ও সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা যোগ্য সবাইকে করের আওতায় আনতে পরামর্শ দিয়ে বলছেন, তাহলে নিয়মিত করদাতাদের ওপর চাপ কমবে।

সরকারি সূত্র জানায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি বাস্তবায়ন করে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চায় সরকার। গত অর্থবছরে কৃচ্ছ্রসাধন করে সরকার প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছিল।

নতুন অর্থবছর কৃচ্ছ্রসাধন দিয়ে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। অর্থবছরের প্রথম দিনই সরকার সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ের ৫০ শতাংশ বরাদ্দ স্থগিত করে। অর্থ মন্ত্রণালয় এদিন একটি পরিপত্র জারি করে এ স্থগিতাদেশ দেয়। বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের ভ্রমণ ব্যয় বাবদ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ খাতে ৫০ শতাংশ ব্যয় স্থগিতের কারণে সাশ্রয় হবে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের খরচ মেটাতে সরকার ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিল। করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেবার ভ্রমণ ব্যয় ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়। এতে অর্থবছর শেষে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের কথা থাকলেও বিভিন্ন বিদেশি সেমিনার, মিটিং স্থগিত হওয়ায় সেটি প্রায় ২ হাজার কোটিতে পৌঁছায়। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরেও প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বেঁচে গিয়েছিল। ওই অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দিনে পৃথক আরেকটি পরিপত্র দিয়ে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গাড়ি কেনা বাবদ ৫০ শতাংশ ব্যয় স্থগিত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের গাড়ি কেনা বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এতে এ খাত থেকে সাশ্রয় হবে ৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

গত অর্থবছর কৃচ্ছ্রসাধনের আওতায় ৫০ শতাংশ গাড়ি কেনা স্থগিত করেছিল সরকার। গত অর্থবছরে গাড়ি কেনা বাবদ বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার কোটি টাকা। এতে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত অর্থবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মোট বরাদ্দের ১৫ শতাংশ ব্যয়ের ওপর অর্থ বিভাগ স্থগিতাদেশ দেয়। সংশোধিত বাজেটে এ স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়। গত অর্থবছর সংশোধিত এডিপির আকার ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। ফলে এ খাত থেকে ২৯ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়।

করোনার প্রভাব না কমলে আবারও গত অর্থবছরের মতো এডিপি বরাদ্দের ১৫ শতাংশ ব্যয়ে স্থগিতাদেশ আসতে পারে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মধ্যম পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় অব্যাহত রাখা হতে পারে। কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় স্থগিত করা হতে পারে।

নতুন অর্থবছরে এডিপির আকার ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। ১৫ শতাংশ স্থগিত করা হলে এ খাত থেকে সরকারের সাশ্রয় হবে ৩৩ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ ব্যয়ের লাগামও টেনে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছর ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এ টাকা গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করা হবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বৈশি^ক মহামারির মধ্যে সরকার ব্যয় কমানোর যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা যথার্থ। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আমাদের অনেক বেশি ব্যয় হয়। এসব ক্ষেত্রেও ব্যয় সংকোচনের সুযোগ রয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘করোনাকালে অর্থনীতি স্থবির। রাজস্ব আয়ে শ্নথগতি। এ পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয় সংকোচনের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এ-সংক্রান্ত উদ্যোগ অত্যন্ত ভালো ও সময়োপযোগী।

ড. জায়েদ বখত বলেন, এ বছর রাজস্ব আয় তেমন বাড়বে না। যেটা করতে হবে তা হলো, যোগ্য সবাইকে করের আওতায় আনতে হবে। তাহলে রাজস্ব জোগানে নিয়মিত করদাতাদের ওপর চাপ কমবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

বাজেট বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন নীতিতে সরকার

আপডেট সময় ০৪:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিগগিরই বিশ্ব মুক্তি পাচ্ছে না মহামারি করোনার হাত থেকে। তাতে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রলম্বিত হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। অবধারিতভাবে রাজস্ব আহরণেও এর প্রভাব পড়বে। এ কারণে বাজেট বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অর্থবছরের শুরুতে বড় ধরনের ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সরকারি যানবাহন কেনা বন্ধ, বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত, আপ্যায়ন ভাতাসহ অত্যাবশ্যক নয় এমন খরচ কমানো, কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থছাড় স্থগিত ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত রাজস্ব আয় কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয় সংকোচনের কৌশলের পথে হাঁটছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে অত্যন্ত ভালো ও সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা যোগ্য সবাইকে করের আওতায় আনতে পরামর্শ দিয়ে বলছেন, তাহলে নিয়মিত করদাতাদের ওপর চাপ কমবে।

সরকারি সূত্র জানায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি বাস্তবায়ন করে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চায় সরকার। গত অর্থবছরে কৃচ্ছ্রসাধন করে সরকার প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছিল।

নতুন অর্থবছর কৃচ্ছ্রসাধন দিয়ে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। অর্থবছরের প্রথম দিনই সরকার সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ের ৫০ শতাংশ বরাদ্দ স্থগিত করে। অর্থ মন্ত্রণালয় এদিন একটি পরিপত্র জারি করে এ স্থগিতাদেশ দেয়। বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের ভ্রমণ ব্যয় বাবদ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ খাতে ৫০ শতাংশ ব্যয় স্থগিতের কারণে সাশ্রয় হবে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের খরচ মেটাতে সরকার ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিল। করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেবার ভ্রমণ ব্যয় ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়। এতে অর্থবছর শেষে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের কথা থাকলেও বিভিন্ন বিদেশি সেমিনার, মিটিং স্থগিত হওয়ায় সেটি প্রায় ২ হাজার কোটিতে পৌঁছায়। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরেও প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বেঁচে গিয়েছিল। ওই অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দিনে পৃথক আরেকটি পরিপত্র দিয়ে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গাড়ি কেনা বাবদ ৫০ শতাংশ ব্যয় স্থগিত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের গাড়ি কেনা বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এতে এ খাত থেকে সাশ্রয় হবে ৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

গত অর্থবছর কৃচ্ছ্রসাধনের আওতায় ৫০ শতাংশ গাড়ি কেনা স্থগিত করেছিল সরকার। গত অর্থবছরে গাড়ি কেনা বাবদ বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার কোটি টাকা। এতে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত অর্থবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মোট বরাদ্দের ১৫ শতাংশ ব্যয়ের ওপর অর্থ বিভাগ স্থগিতাদেশ দেয়। সংশোধিত বাজেটে এ স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়। গত অর্থবছর সংশোধিত এডিপির আকার ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। ফলে এ খাত থেকে ২৯ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়।

করোনার প্রভাব না কমলে আবারও গত অর্থবছরের মতো এডিপি বরাদ্দের ১৫ শতাংশ ব্যয়ে স্থগিতাদেশ আসতে পারে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মধ্যম পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় অব্যাহত রাখা হতে পারে। কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় স্থগিত করা হতে পারে।

নতুন অর্থবছরে এডিপির আকার ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। ১৫ শতাংশ স্থগিত করা হলে এ খাত থেকে সরকারের সাশ্রয় হবে ৩৩ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ ব্যয়ের লাগামও টেনে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছর ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এ টাকা গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করা হবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বৈশি^ক মহামারির মধ্যে সরকার ব্যয় কমানোর যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা যথার্থ। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আমাদের অনেক বেশি ব্যয় হয়। এসব ক্ষেত্রেও ব্যয় সংকোচনের সুযোগ রয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘করোনাকালে অর্থনীতি স্থবির। রাজস্ব আয়ে শ্নথগতি। এ পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয় সংকোচনের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এ-সংক্রান্ত উদ্যোগ অত্যন্ত ভালো ও সময়োপযোগী।

ড. জায়েদ বখত বলেন, এ বছর রাজস্ব আয় তেমন বাড়বে না। যেটা করতে হবে তা হলো, যোগ্য সবাইকে করের আওতায় আনতে হবে। তাহলে রাজস্ব জোগানে নিয়মিত করদাতাদের ওপর চাপ কমবে।