ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক লাঞ্ছিত, যুবক আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জ জেলার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ঢুকে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম মিজানুর রহমান (২০)। তিনি সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগর এলাকার বাসিন্দা। মিজানুর রহমান এর আগে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাতে সদর হাসপাতালের এক নার্সের গলায় ছুরিকাঘাত করে আহত করেছিল। সে সময় মিজানুরের বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল এবং নার্সরা কর্মবিরতি পালন করেছিলেন।পরবর্তী সময়ে সালিসি সভায় ওই ঘটনার মীমাংসা করা হয়।

জানা যায়, অভিযুক্ত মিজানের ভাইয়ের জ্বর থাকায় আজ সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসককে বাসায় নিতে এসেছিল মিজান। কিন্তু দায়িত্বরত চিকিৎসক আবু জাহিদ মাহমুদ বাসায় যেতে অনাগ্রহ দেখিয়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে বলেন। এরপর মিজান তার ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসক জাহিদ মাহমুদ রোগীকে দেখেন। তারপর ব্যবস্থাপত্র লিখার সময় হঠাৎ করে চিকিৎসককে চড় মেরে বসেন মিজান।

খবর পেয়ে ঘটনার পরপরই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আনিসুর রহমান হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য চিকিৎসকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবু জাহিদ মাহমুদ বলেন,‘মিজানুর রহমান নামের ওই লোক সকালে রোগী দেখতে তার বাড়িতে যেতে বলেছিল। কিন্তু আমি জানিয়েছিলাম জরুরি বিভাগ ফেলে বাসায় যাওয়া সম্ভব নয়। এরপর রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসে এবং আমাকে লাঞ্ছিত করে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আনিসুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এসে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সহিদুর রহমান জানান, ‘মিজানকে আটক করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক লাঞ্ছিত, যুবক আটক

আপডেট সময় ০৯:৪২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জ জেলার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ঢুকে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম মিজানুর রহমান (২০)। তিনি সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগর এলাকার বাসিন্দা। মিজানুর রহমান এর আগে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাতে সদর হাসপাতালের এক নার্সের গলায় ছুরিকাঘাত করে আহত করেছিল। সে সময় মিজানুরের বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল এবং নার্সরা কর্মবিরতি পালন করেছিলেন।পরবর্তী সময়ে সালিসি সভায় ওই ঘটনার মীমাংসা করা হয়।

জানা যায়, অভিযুক্ত মিজানের ভাইয়ের জ্বর থাকায় আজ সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসককে বাসায় নিতে এসেছিল মিজান। কিন্তু দায়িত্বরত চিকিৎসক আবু জাহিদ মাহমুদ বাসায় যেতে অনাগ্রহ দেখিয়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে বলেন। এরপর মিজান তার ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসক জাহিদ মাহমুদ রোগীকে দেখেন। তারপর ব্যবস্থাপত্র লিখার সময় হঠাৎ করে চিকিৎসককে চড় মেরে বসেন মিজান।

খবর পেয়ে ঘটনার পরপরই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আনিসুর রহমান হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য চিকিৎসকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবু জাহিদ মাহমুদ বলেন,‘মিজানুর রহমান নামের ওই লোক সকালে রোগী দেখতে তার বাড়িতে যেতে বলেছিল। কিন্তু আমি জানিয়েছিলাম জরুরি বিভাগ ফেলে বাসায় যাওয়া সম্ভব নয়। এরপর রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসে এবং আমাকে লাঞ্ছিত করে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আনিসুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এসে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সহিদুর রহমান জানান, ‘মিজানকে আটক করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’