ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু

ফের সিসিইউতে সম্রাট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আবারও সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতে প্রিজন সেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে সোমবার সকালে বুকে তীব্র ব্যাথা অনুভব হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হৃদস্পন্দন দ্রুত ও অনিয়মিত হওয়ায় ডাক্তাররা দ্রুত তাকে সিসিইউতে ভর্তি করেন।

যুবলীগের সাবেক এই প্রভাবশালী নেতা বর্তমানে গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলে বিএসএমএমইউ’র একাধিক ডাক্তার জানিয়েছেন।

বিএসএমএমইউর পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের আগে থেকে হার্টের সমস্যা রয়েছে। বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’

জানা গেছে, এর আগেও দীর্ঘদিন সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। কিছুদিন আগে মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে রাখা হয়। রবিবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে সিসিইউতে আনা হয়।

এদিকে সম্রাটের পরিবারের দাবি, আজ থেকে প্রায় ২১ বছর আগে ওপেন হার্ট সার্জারি ও ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয় সম্রাটের।

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি। ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে আরও দুটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। পরে তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতির মামলাও হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

ফের সিসিইউতে সম্রাট

আপডেট সময় ০৯:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আবারও সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতে প্রিজন সেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে সোমবার সকালে বুকে তীব্র ব্যাথা অনুভব হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হৃদস্পন্দন দ্রুত ও অনিয়মিত হওয়ায় ডাক্তাররা দ্রুত তাকে সিসিইউতে ভর্তি করেন।

যুবলীগের সাবেক এই প্রভাবশালী নেতা বর্তমানে গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলে বিএসএমএমইউ’র একাধিক ডাক্তার জানিয়েছেন।

বিএসএমএমইউর পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের আগে থেকে হার্টের সমস্যা রয়েছে। বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’

জানা গেছে, এর আগেও দীর্ঘদিন সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। কিছুদিন আগে মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে রাখা হয়। রবিবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে সিসিইউতে আনা হয়।

এদিকে সম্রাটের পরিবারের দাবি, আজ থেকে প্রায় ২১ বছর আগে ওপেন হার্ট সার্জারি ও ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয় সম্রাটের।

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি। ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে আরও দুটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। পরে তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতির মামলাও হয়।