ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে ১০ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১০ লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খাদ্যশস্যের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনলাইন মতবিনিময় সভায় কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১ জুলাই খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।

ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্কে ১০ লাখ টন চাল বেসরকারি পর্যায়ে আমদানির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বাজারদর স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই পরিমাণ কমাতে-বাড়াতে পারবে।

ওই সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মোটা চালের ব্যবহার কমে এখন চিকন চালের চাহিদা বেড়েছে। যদি বেসরকারিভাবে নন বাসমতি সিদ্ধ/আতপ সরু চাল আমদানি করা হয়, তাহলে বাজারে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হবে।

কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এবার প্রতি মণ ধানের দাম এক হাজার ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পেয়েছে। কারণ একজন কৃষকের মণপ্রতি উৎপাদন খরচ ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকার বেশি হয়নি। অতএব আমদানি করলে কৃষক কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বোরো ধান কাটার পরও চালের দাম বেড়েছে, তাই আগের ধারাবাহিকতায় সরকারি আমদানির সঙ্গে বেসরকারিভাবে চাল আমদানি করতে হবে।

সভায় চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানি শুল্ক কমিয়ে বেসরকারিভাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল আমদানির পরামর্শ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

খাদ্য সচিব নাজমানারা খানুম বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী ১০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ রাখতে হয়। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ টন এবং বৈদেশিক সংগ্রহের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ টন সংগ্রহ হবে। যা বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কৃষককে ধানের ন্যায্যমূল্য প্রদান, সেই সঙ্গে বাজার নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি প্রয়োজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে ১০ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০১:২১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১০ লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খাদ্যশস্যের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনলাইন মতবিনিময় সভায় কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১ জুলাই খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।

ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্কে ১০ লাখ টন চাল বেসরকারি পর্যায়ে আমদানির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বাজারদর স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই পরিমাণ কমাতে-বাড়াতে পারবে।

ওই সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মোটা চালের ব্যবহার কমে এখন চিকন চালের চাহিদা বেড়েছে। যদি বেসরকারিভাবে নন বাসমতি সিদ্ধ/আতপ সরু চাল আমদানি করা হয়, তাহলে বাজারে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হবে।

কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এবার প্রতি মণ ধানের দাম এক হাজার ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পেয়েছে। কারণ একজন কৃষকের মণপ্রতি উৎপাদন খরচ ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকার বেশি হয়নি। অতএব আমদানি করলে কৃষক কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বোরো ধান কাটার পরও চালের দাম বেড়েছে, তাই আগের ধারাবাহিকতায় সরকারি আমদানির সঙ্গে বেসরকারিভাবে চাল আমদানি করতে হবে।

সভায় চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানি শুল্ক কমিয়ে বেসরকারিভাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল আমদানির পরামর্শ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

খাদ্য সচিব নাজমানারা খানুম বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী ১০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ রাখতে হয়। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ টন এবং বৈদেশিক সংগ্রহের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ টন সংগ্রহ হবে। যা বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কৃষককে ধানের ন্যায্যমূল্য প্রদান, সেই সঙ্গে বাজার নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি প্রয়োজন।