ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আপডেট সময় ১১:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।