ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আপডেট সময় ১১:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।