ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তালেবানকে চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র হাতে রাস্তায় আফগান নারীরা

আপডেট সময় ১১:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের কঠোর শরিয়াহ আইন জারিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমেছেন আফগানিস্তানের নারীরা।

দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে কয়েকশ’ আফগান নারী রাইফেল নিয়ে রাস্তায় নেমে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে বুধবার দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিলটি হয়েছে ঘুর প্রদেশে। সেখানে কয়েকশ’ নারী অস্ত্র হাতে রাস্তায় নেমে তালেবানবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে।

তবে সামাজিক রক্ষণশীলতা আর অভিজ্ঞতার অভাবে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করার সম্ভবনা নেই তাদের। তবে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর নারীদের এরকম প্রকাশ্য বিক্ষোভ তালেবানদের শাসন সম্পর্কে তাদের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে তাকহার প্রদেশে নারীরা বাড়ি থেকে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একা বের হতে পারবেন না এবং পুরুষদেরও লম্বা দাড়ি রাখতেই হবে বলে আইন জারি করে তালেবান। এমনকি নারীদের বিয়ের জন্য পণ প্রথাও ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তালেবান এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, তালেবানের এই কঠোর বিধিনিষেধ আফগানিস্তানে ৯০ দশকের তালেবান শাসন ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সে সময় চুরির জন্য হাত কেটে দেওয়া হতো, পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হতো, এমনকি নারীদের ওপর ছিল নানা রকম বিধিনিষেধ ।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা মোতায়েন হওয়ার আগে এসব আইন জারি করেছিল তালেবান। তখন দেশটিতে নারীদের চাকরি তো দূরের কথা, কোনো পুরুষ আত্মীয় ছাড়া বাইরে বের হওয়াও নিষেধ ছিল। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তিও ভোগ করতে হতো।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালেবান। এরই মধ্যে দেশটির ৪২১টি জেলার মধ্যে ১৪০টি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।