ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় খরচ ২০০ কোটি ডলার: অর্থমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ধনী দেশগুলো দায়ী হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশকে বছরে ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (০৮ জুলাই) ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ‘ফার্স্ট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফাইন্যান্স সামিট’-এ এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কারা দায়ী এটা সবাই জানে। মূলত ধনী দেশগুলো দায়ী। তাদের জনসংখ্যা মাত্র ৫ শতাংশ। অথচ ৫ শতাংশ জনসংখ্যা নিয়ে এরা ২২ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন করছে। অন্যদিকে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিক দুর্যোগ মানুষের সৃষ্টি। আমরা এর জন্য দায়ী না। মাতারবাড়িতে যে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হবে এটা তেমন কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করবে না। এছাড়া রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি, এখানে ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করা হবে না।

জলবায়ু পরিবর্তনের শঙ্কা প্রসঙ্গে মুস্তফা কামাল বলেন, ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করার কারণে বিশ্ব উত্তপ্ত হচ্ছে। বিমান ভ্রমণেও সমস্যা হচ্ছে। অ্যান্টার্টিকা মহাদেশের বিশাল বরফখণ্ড গলতে শুরু করেছে। এর ফলে আমাদের দেশের নিচু অংশ ডুবে যাবে। উন্নত দেশগুলোর সহায়তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি—এই বিষয়ে জনমত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই জানি ২০০৩ সালে ইউরোপে ৭০ হাজার মানুষ মারা গেছে শুধু জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যার কারণে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সোলার এনার্জি উৎপাদন করলে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু আমাদের জমির পরিমাণ কম। সোলার এনার্জি উৎপাদনে বেশি জমির প্রয়োজন হয়। খাদ্য চাহিদা মেটাতে কৃষি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার করছি।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ সবচেয়ে দুর্যোগ প্রবণ দেশ। আমরা এই বিষয়ে একমত যে, জলবায়ুগত সমস্যার জন্য দায়ী উন্নত বিশ্ব। সবাই এক হয়ে উন্নতদেশগুলোকে বলবো সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। জলবায়ু সমস্যা সমাধানে উন্নত দেশগুলো এগিয়ে আসবে। আমরা আশা করি সকল সমস্যা তুলে ধরবো। সবার অংশগ্রহণে আমরা আমাদের সমস্যা সমাধান করবো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ এ সময় বক্তব্য রাখেন। সামিট পরিচালনা করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় খরচ ২০০ কোটি ডলার: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ধনী দেশগুলো দায়ী হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশকে বছরে ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (০৮ জুলাই) ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ‘ফার্স্ট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফাইন্যান্স সামিট’-এ এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কারা দায়ী এটা সবাই জানে। মূলত ধনী দেশগুলো দায়ী। তাদের জনসংখ্যা মাত্র ৫ শতাংশ। অথচ ৫ শতাংশ জনসংখ্যা নিয়ে এরা ২২ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন করছে। অন্যদিকে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিক দুর্যোগ মানুষের সৃষ্টি। আমরা এর জন্য দায়ী না। মাতারবাড়িতে যে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হবে এটা তেমন কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করবে না। এছাড়া রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি, এখানে ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করা হবে না।

জলবায়ু পরিবর্তনের শঙ্কা প্রসঙ্গে মুস্তফা কামাল বলেন, ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করার কারণে বিশ্ব উত্তপ্ত হচ্ছে। বিমান ভ্রমণেও সমস্যা হচ্ছে। অ্যান্টার্টিকা মহাদেশের বিশাল বরফখণ্ড গলতে শুরু করেছে। এর ফলে আমাদের দেশের নিচু অংশ ডুবে যাবে। উন্নত দেশগুলোর সহায়তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি—এই বিষয়ে জনমত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই জানি ২০০৩ সালে ইউরোপে ৭০ হাজার মানুষ মারা গেছে শুধু জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যার কারণে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সোলার এনার্জি উৎপাদন করলে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু আমাদের জমির পরিমাণ কম। সোলার এনার্জি উৎপাদনে বেশি জমির প্রয়োজন হয়। খাদ্য চাহিদা মেটাতে কৃষি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার করছি।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ সবচেয়ে দুর্যোগ প্রবণ দেশ। আমরা এই বিষয়ে একমত যে, জলবায়ুগত সমস্যার জন্য দায়ী উন্নত বিশ্ব। সবাই এক হয়ে উন্নতদেশগুলোকে বলবো সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। জলবায়ু সমস্যা সমাধানে উন্নত দেশগুলো এগিয়ে আসবে। আমরা আশা করি সকল সমস্যা তুলে ধরবো। সবার অংশগ্রহণে আমরা আমাদের সমস্যা সমাধান করবো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ এ সময় বক্তব্য রাখেন। সামিট পরিচালনা করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।