আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
তালেবানের হাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের সম্ভাব্য পতন নিয়ে ইরান কোনো মন্তব্য করবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইদ খতিবজাদে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরান এমন এক সময় এ মন্তব্য করল যখন বিভিন্ন মহল তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করবে বলে আশঙ্কা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করা হলে তালেবান ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করবে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইদ খতিবজাদে বলেছেন, তালেবানের কাছে সম্ভাব্য কাবুল পতন নিয়ে আফগানিস্তান কোনো মন্তব্য কিংবা ভবিষ্যদ্বাণী করবে না। আমাদের কাছে আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, দেশটির আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তালেবানের হাতে সমগ্র আফগানিস্তানের পতন নিয়ে কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের, তালেবান জোর করে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করলে পাকিস্তান কী করবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইমরান খান বলেন, তালেবানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আমরা সবই করব। আমাদের দেশের সব পক্ষই এই সিদ্ধান্তে একমত।
ইমরান খান বলেন, পূর্বে আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের সীমান্ত খোলা ছিল। কিন্তু ইতোমধ্যে আমরা ৯০ শতাংশ সীমান্তে বেড়া দিয়েছি। তালেবান ক্ষমতা দখল করলে আমরা সীমান্ত বন্ধ করে দেব।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তালেবান আফগানিস্তানের একটি অংশ। তারা সমগ্র আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করে না। তবে দেশটির সঙ্কট সমাধানে তালেবানকে প্রয়োজন।
ইরান গভীরভাবে আফগানিস্তানের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে জানিয়ে সাইদ খতিবজাদে বলেন, ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক পর্যায়ে ইরান আফগানিস্তানের সকল গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করছে।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সকল বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পর আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকা দখল নিয়ে সরকারি বাহিনী এবং তালেবানের মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, আফগানিস্তানের চার শতাধিক জেলার মধ্যে ৮০টির অধিক জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















