ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, শিশুর লাশ পাতায় মুড়ে রাখেন দুলাভাই!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

নাটোর সদর উপজেলার নারায়ণপুরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে দুলাভাইয়ের হাতে শিশু খুনের অভিযোগ উঠেছে। নিহত শিশুর নাম মৌ (১০)। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। এ ঘটনায় নিহত মৌয়ের দুলাভাই সোহাগ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মশিউর রহমান জানান, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের বনবেলঘড়িয়া থেকে নারায়ণপুরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায় মৌ। এ সময় তার দুলাভাই সোহাগ তাকে বাড়ির পাশে একটি কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে সোহাগ শিশুটির গলা ওড়না পেচিয়ে তাকে হত্যা করে।

পরে তার লাশ কলাপাতা দিয়ে মুড়িয়ে পাশের একটি পাটক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। বাগানে কলা কাটতে গিয়ে এক ব্যক্তি পাতায় মোড়ানো অবস্থায় ওই শিশুকে দেখতে পান। তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি শিকদার মশিউর রহমান আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে সোহাগ হোসেনকে আটক করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। শিশুটির লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, শিশুর লাশ পাতায় মুড়ে রাখেন দুলাভাই!

আপডেট সময় ০৫:০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

নাটোর সদর উপজেলার নারায়ণপুরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে দুলাভাইয়ের হাতে শিশু খুনের অভিযোগ উঠেছে। নিহত শিশুর নাম মৌ (১০)। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। এ ঘটনায় নিহত মৌয়ের দুলাভাই সোহাগ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মশিউর রহমান জানান, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের বনবেলঘড়িয়া থেকে নারায়ণপুরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায় মৌ। এ সময় তার দুলাভাই সোহাগ তাকে বাড়ির পাশে একটি কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে সোহাগ শিশুটির গলা ওড়না পেচিয়ে তাকে হত্যা করে।

পরে তার লাশ কলাপাতা দিয়ে মুড়িয়ে পাশের একটি পাটক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। বাগানে কলা কাটতে গিয়ে এক ব্যক্তি পাতায় মোড়ানো অবস্থায় ওই শিশুকে দেখতে পান। তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি শিকদার মশিউর রহমান আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে সোহাগ হোসেনকে আটক করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। শিশুটির লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।