ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ ৯ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমান ১৬ জুন এ আদেশ দেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের নামে প্রায় ১৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি আসাদুজ্জামান দিলু জানান, ২০১৮ সালে সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জন জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চিকিৎসাসংক্রান্ত মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের নামে ১৬ কোটি ৭১ লাখ ৩২ হাজার ২২২ টাকা সাতক্ষীরা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে তিনটি চেকের মাধ্যমে তুলে আত্মসাৎ করেন।

বিষয়টি জানতে পেরে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক ফাহিমুল হক কিসলু ও সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।

এরপর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন ২০১৯ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন।

আসামিরা হাইকোর্টের নির্দেশে কয়েক দফায় সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করার পর জামিনে মুক্তি পান।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ দেশত্যাগে আদালত আরও যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তারা হলেন- সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সাবেক হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, ভান্ডাররক্ষক এ কে এম ফজলুল হক, ঢাকার সেগুনবাগিচার মেসার্স বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির স্বত্বাধিকারী জাহের উদ্দিন সরকার, নয়াপল্টনের মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও অংশীদার আব্দুর ছাত্তার সরকার, একই এলাকার মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও অংশীদার আহসান হাবিব, ইউনিভার্সেল ট্রেড করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী আসাদুর রহমান, মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক কাজী আবু বকর সিদ্দীক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইক্যুপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আব্দুস কুদ্দুস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ ৯ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৬:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমান ১৬ জুন এ আদেশ দেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের নামে প্রায় ১৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি আসাদুজ্জামান দিলু জানান, ২০১৮ সালে সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জন জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চিকিৎসাসংক্রান্ত মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের নামে ১৬ কোটি ৭১ লাখ ৩২ হাজার ২২২ টাকা সাতক্ষীরা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে তিনটি চেকের মাধ্যমে তুলে আত্মসাৎ করেন।

বিষয়টি জানতে পেরে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক ফাহিমুল হক কিসলু ও সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।

এরপর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন ২০১৯ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন সিভিল সার্জন তৌহিদুর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন।

আসামিরা হাইকোর্টের নির্দেশে কয়েক দফায় সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করার পর জামিনে মুক্তি পান।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ দেশত্যাগে আদালত আরও যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তারা হলেন- সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সাবেক হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, ভান্ডাররক্ষক এ কে এম ফজলুল হক, ঢাকার সেগুনবাগিচার মেসার্স বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির স্বত্বাধিকারী জাহের উদ্দিন সরকার, নয়াপল্টনের মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও অংশীদার আব্দুর ছাত্তার সরকার, একই এলাকার মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও অংশীদার আহসান হাবিব, ইউনিভার্সেল ট্রেড করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী আসাদুর রহমান, মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক কাজী আবু বকর সিদ্দীক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইক্যুপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আব্দুস কুদ্দুস।