অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পাড়ার ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা করার অপরাধে আহাদ মোল্লা নামের এক পাষাণ্ড বাবা নিজের শিশুসন্তানকে অমানুষিক নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই শিশুটির নাম মীম খাতুন। সে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। হাসপাতালের চিকিৎসক মশিউর রহমান বাবু বলেন, একটি শিশুকে এভাবে আঘাত করা উচিত হয়নি। এতে সে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারত।
প্রতিবেশী লায়লা খানম, জোছনা বেগমসহ কয়েকজন বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মীম বাড়ির পাশের কয়েকটি শিশুর সঙ্গে কুতকুত খেলা করে। বিষয়টি জানতে পেরে হাতে থাকা টর্চলাইট ও লোহার রড দিয়ে মীমকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেন। চিকিৎসাসেবা না দিয়ে তাকে ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন। তিন দিন পর গণমাধ্যমকর্মীরা খবর পেয়ে পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘরের খাটের নিচ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোলাম কিবরিয়া নড়াইল এজি অফিসের সহকারী সুপার পদে চাকরি করেন। গতকাল সোমবার দুপুরে বিষয়টি জানতে গোলাম কিবরিয়া সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। বলেন, ‘আমার বাসায় কোনো মেয়ে নেই।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই-তিনজন প্রতিবেশী বলেন, আহাদ মোল্লা একজন নেশাগ্রস্ত মানুষ। তার চারটি বিয়ে। নির্যাতনের শিকার হয়ে সব স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। বর্তমানে তার কোনো স্ত্রী নেই। মীম তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। মুঠোফোনে আহাদ মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, মীম তার ছয় হাজার টাকা চুরি করেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























