ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে তৈরি হচ্ছে গাইডলাইন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসকে (কালো ছত্রাক) গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এই রোগের চিকিৎসাপদ্ধতি, চিকিৎসা ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা কেমন হবে সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করার চেষ্টা করছি।

বুধবার দুপুরে অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি মিউকরমাইকোসিস (ব্ল্যাক ফাঙ্গাস) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। আমরা দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, এই রোগটি আদিকাল থেকে আমাদের পরিবেশের সঙ্গে আছে। বিশেষ পরিস্থিতি ও ক্ষেত্রবিশেষে এর প্রাদুর্ভাব ও সংখ্যাধিক্য দেখা যেতে পারে।’

নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যেসব রোগীর ক্ষেত্রবিশেষ স্টেরয়েড ব্যবহার করতে হয় এবং যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মেলাইটাস আছে তাদের জন্য ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সত্যিকার অর্থেই বিপদের কারণ হতে পারে। আমরা পরিস্থিতির দিকে গভীর পর্যবেক্ষণ করছি, আশা করছি এটি কোনো অবস্থাতেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারবে না।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা দেখেছি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুজন রোগী পাওয়া গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত ফলাফল হাতে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত কিছু বলতে পারব না। তথ্য-উপাত্ত হাতে পেয়ে সবাইকে জানালে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করা উচিত।’

চিকিৎসা ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস একটি বিরল জাতের রোগ, এটি খুব বেশিসংখ্যক মানুষের হয় বলে তথ্য-উপাত্ত আমাদের বলে না। তবে অবশ্যই এর চিকিৎসা ব্যয়বহুল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা গত কিছুদিন ধরে ক্রমাগত কাজ করছি। আমাদের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এই রোগ মোকাবিলায় যেসব ওষুধপত্র লাগে, সেগুলো কীভাবে সহজলভ্য করা যায় সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি। অল্প সময়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবো। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধগুলো সহজে পাওয়া যায় না। তাই এ পরিস্থিতিতে কেউ যেন বাড়তি দামে ওষুধ বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে তৈরি হচ্ছে গাইডলাইন

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসকে (কালো ছত্রাক) গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এই রোগের চিকিৎসাপদ্ধতি, চিকিৎসা ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা কেমন হবে সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করার চেষ্টা করছি।

বুধবার দুপুরে অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি মিউকরমাইকোসিস (ব্ল্যাক ফাঙ্গাস) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। আমরা দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, এই রোগটি আদিকাল থেকে আমাদের পরিবেশের সঙ্গে আছে। বিশেষ পরিস্থিতি ও ক্ষেত্রবিশেষে এর প্রাদুর্ভাব ও সংখ্যাধিক্য দেখা যেতে পারে।’

নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যেসব রোগীর ক্ষেত্রবিশেষ স্টেরয়েড ব্যবহার করতে হয় এবং যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মেলাইটাস আছে তাদের জন্য ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সত্যিকার অর্থেই বিপদের কারণ হতে পারে। আমরা পরিস্থিতির দিকে গভীর পর্যবেক্ষণ করছি, আশা করছি এটি কোনো অবস্থাতেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারবে না।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা দেখেছি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুজন রোগী পাওয়া গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত ফলাফল হাতে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত কিছু বলতে পারব না। তথ্য-উপাত্ত হাতে পেয়ে সবাইকে জানালে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করা উচিত।’

চিকিৎসা ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস একটি বিরল জাতের রোগ, এটি খুব বেশিসংখ্যক মানুষের হয় বলে তথ্য-উপাত্ত আমাদের বলে না। তবে অবশ্যই এর চিকিৎসা ব্যয়বহুল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা গত কিছুদিন ধরে ক্রমাগত কাজ করছি। আমাদের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এই রোগ মোকাবিলায় যেসব ওষুধপত্র লাগে, সেগুলো কীভাবে সহজলভ্য করা যায় সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি। অল্প সময়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবো। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধগুলো সহজে পাওয়া যায় না। তাই এ পরিস্থিতিতে কেউ যেন বাড়তি দামে ওষুধ বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।’