ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

উড়িষ্যায় আঘাত হেনে পশ্চিমবঙ্গেও তাণ্ডব চালালো ইয়াস

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উড়িষ্যার ধামরা ও বালাসোরের মধ্যে আছড়ে পড়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। সময়ের বেশ কিছুটা আগে স্থলভাগ ছুঁয়েছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মাঝের অংশ।

তিন ঘণ্টা ধরে চলবে এই প্রক্রিয়া। একেবারে প্লাবিত উড়িষ্যা।

এর জেরে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনিপুরের দীঘার সমুদ্র উত্তাল। সমুদ্রতীরবর্তী নারিকেল গাছ, তাল গাছে আঘাত হেনে সমুদ্রের ঢেউ স্থলভাগে আছড়ে পড়েছে। সমুদ্র ও রাস্তা এক হয়ে গেছে।

সেখানকার বাসিন্দাদের মতে, আমপানের বেলায়ও সমুদ্র এত ভয়াবহ রূপ দেখা যায়নি। গ্রামের পর গ্রাম সমুদ্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ ২৪পরগনা সাগরদ্বীপ অঞ্চলে। নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে নামখান, পাথর প্রতিমা, কাকদ্বীপ, ফ্রেজারগঞ্জের গ্রামগুলো। ওই অঞ্চলে একাধিক কাঁচাবাড়ি, দোকানপাট ইয়াসের দাপটে তছনছ হয়ে গেছে। করোনার মধ্যে বাধ্য হয়ে পথে আশ্রয় নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা।

ইতোমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্নের কন্ট্রোলরুম থেকে জানিয়েছেন, সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে ইয়াস আছড়ে না পড়লেও তার ভয়ঙ্কর প্রভাব রাজ্যের দক্ষিণ ২৪পরগনা এবং মেদিনিপুরের হলদিয়া ও দীঘায় পড়েছে। একাধিক নদী প্লাবিত হয়েছে। ভেঙে গেছে বহু নদীর বাঁধ। জলোচ্ছ্বাসের দাপটে ভাসিয়ে দিয়ে গেছে বহু নৌকা। তছনছ হয়ে গেছে একাধিক লঞ্চ।

পশ্চিমবঙ্গের ১০টি জেলায় ১৭ কোম্পানি সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে। সেনাবাহিনী হাওড়া, উত্তর ২৪পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মেদিনিপুর জেলাগুলিতে নেমেছে। রাজ্য প্রশাসন ও রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অত্যাধুনিক বিপর্যয় মোকাবিলার সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করছে। গাছ কাটা, সম্পত্তি হানি যাতে কম হয় সেদিকে কড়া নজর রাখবে। সঙ্গে চার লাখ সরকারি কর্মচারীদের কাজে লাগানো হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মূললক্ষ্য প্রাণহানি ও সম্পদহানি যতটা কম হয়। তবে কলকাতা আপতত স্থিতিশীল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

উড়িষ্যায় আঘাত হেনে পশ্চিমবঙ্গেও তাণ্ডব চালালো ইয়াস

আপডেট সময় ১২:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উড়িষ্যার ধামরা ও বালাসোরের মধ্যে আছড়ে পড়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। সময়ের বেশ কিছুটা আগে স্থলভাগ ছুঁয়েছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মাঝের অংশ।

তিন ঘণ্টা ধরে চলবে এই প্রক্রিয়া। একেবারে প্লাবিত উড়িষ্যা।

এর জেরে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনিপুরের দীঘার সমুদ্র উত্তাল। সমুদ্রতীরবর্তী নারিকেল গাছ, তাল গাছে আঘাত হেনে সমুদ্রের ঢেউ স্থলভাগে আছড়ে পড়েছে। সমুদ্র ও রাস্তা এক হয়ে গেছে।

সেখানকার বাসিন্দাদের মতে, আমপানের বেলায়ও সমুদ্র এত ভয়াবহ রূপ দেখা যায়নি। গ্রামের পর গ্রাম সমুদ্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ ২৪পরগনা সাগরদ্বীপ অঞ্চলে। নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে নামখান, পাথর প্রতিমা, কাকদ্বীপ, ফ্রেজারগঞ্জের গ্রামগুলো। ওই অঞ্চলে একাধিক কাঁচাবাড়ি, দোকানপাট ইয়াসের দাপটে তছনছ হয়ে গেছে। করোনার মধ্যে বাধ্য হয়ে পথে আশ্রয় নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা।

ইতোমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্নের কন্ট্রোলরুম থেকে জানিয়েছেন, সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে ইয়াস আছড়ে না পড়লেও তার ভয়ঙ্কর প্রভাব রাজ্যের দক্ষিণ ২৪পরগনা এবং মেদিনিপুরের হলদিয়া ও দীঘায় পড়েছে। একাধিক নদী প্লাবিত হয়েছে। ভেঙে গেছে বহু নদীর বাঁধ। জলোচ্ছ্বাসের দাপটে ভাসিয়ে দিয়ে গেছে বহু নৌকা। তছনছ হয়ে গেছে একাধিক লঞ্চ।

পশ্চিমবঙ্গের ১০টি জেলায় ১৭ কোম্পানি সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে। সেনাবাহিনী হাওড়া, উত্তর ২৪পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মেদিনিপুর জেলাগুলিতে নেমেছে। রাজ্য প্রশাসন ও রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অত্যাধুনিক বিপর্যয় মোকাবিলার সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করছে। গাছ কাটা, সম্পত্তি হানি যাতে কম হয় সেদিকে কড়া নজর রাখবে। সঙ্গে চার লাখ সরকারি কর্মচারীদের কাজে লাগানো হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মূললক্ষ্য প্রাণহানি ও সম্পদহানি যতটা কম হয়। তবে কলকাতা আপতত স্থিতিশীল।