ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

হেফাজত নেতার মৃত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি ফখরুলের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামের সোনারগাঁও উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের উপজেলার সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসেনের কারা হেফাজতে মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই মৃত্যুর দায় অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে।

শনিবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় চিকিৎসাধীন খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা ইকবাল হোসেনের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে কারাগারে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। বিশেষ করে বিরোধী ভিন্ন মতের মানুষের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটছে। এর দায় অবশ্যই সরকারকেই নিতে হবে। এ ঘটনা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এর আগেও বিএনপির প্রাক্তন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু, লেখক মুস্তাক আহমেদসহ অসংখ্য ভিন্নমতালম্বী মানুষের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু ঘটেছে।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ভয়ানক ঘটনা ঘটতে থাকলেও সরকারের তরফ থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য কোনো তদন্ত বা সন্তোষজনক কোনো বক্তব্য নেই।

মাওলানা ইকবাল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে মির্জা ফখরুল মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মাওলানা ইকবাল হোসেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সহ-সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। পুলিশের পাহারায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) দুপুরে তিনি মারা যান।

গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের রিসোর্ট–কাণ্ডের পর পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ছয়টি মামলার আসামি ছিলেন মাওলানা ইকবাল হোসেন। গত ১১ এপ্রিল ঢাকার জুরাইন থেকে ইকবাল হোসেনসহ চার হেফাজত নেতাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ইকবাল হোসেন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের খতিব ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

খাবারের মান নিয়ে সমালোচনার জবাবে ঘরোয়া রেস্টুরেন্টের স্পষ্টীকরণ

হেফাজত নেতার মৃত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি ফখরুলের

আপডেট সময় ১০:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামের সোনারগাঁও উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের উপজেলার সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসেনের কারা হেফাজতে মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই মৃত্যুর দায় অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে।

শনিবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় চিকিৎসাধীন খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা ইকবাল হোসেনের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে কারাগারে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। বিশেষ করে বিরোধী ভিন্ন মতের মানুষের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটছে। এর দায় অবশ্যই সরকারকেই নিতে হবে। এ ঘটনা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এর আগেও বিএনপির প্রাক্তন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু, লেখক মুস্তাক আহমেদসহ অসংখ্য ভিন্নমতালম্বী মানুষের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু ঘটেছে।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ভয়ানক ঘটনা ঘটতে থাকলেও সরকারের তরফ থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য কোনো তদন্ত বা সন্তোষজনক কোনো বক্তব্য নেই।

মাওলানা ইকবাল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে মির্জা ফখরুল মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মাওলানা ইকবাল হোসেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সহ-সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। পুলিশের পাহারায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) দুপুরে তিনি মারা যান।

গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের রিসোর্ট–কাণ্ডের পর পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ছয়টি মামলার আসামি ছিলেন মাওলানা ইকবাল হোসেন। গত ১১ এপ্রিল ঢাকার জুরাইন থেকে ইকবাল হোসেনসহ চার হেফাজত নেতাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ইকবাল হোসেন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের খতিব ছিলেন।