ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান ‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান বাণিজ্য ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে একমত বাংলাদেশ ও তুরস্ক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান হাম ও জ্বালানি নিয়ে লুকোচুরি করছে সরকার: জামায়াত আমির সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চাঁদপুরের যুবক নিহত

‘বুদ্ধি কমিয়ে দেয় স্মার্টফোন’

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। স্মার্টফোনের ওপর করা একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধি কমিয়ে দেয়।

এর পেছনে ফোনের প্রতি মনোযোগকেই দায়ী করেছেন গবেষকেরা। গবেষকরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে থাকে, তাহলে অন্যান্য কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, ফলে সেসব কাজে দক্ষতা কমে। দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না।

এ গবেষণার জন্য ৫২০ জন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীকে নেওয়া হয়। ফোনের আশেপাশে থাকা অবস্থায় তাদের বুদ্ধি এবং স্মৃতির পরীক্ষা করা হয়। ম্যাথেম্যাটিক, স্মৃতি এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

এ সময়ে তাদের ফোন ডেস্কে, পকেটে, ব্যাগে বা পাশের রুমে রাখা হয়। দেখা যায়, যাদের ডেস্কে ফোন রাখা হয় তারা পরীক্ষায় ১০ শতাংশ কম নাম্বার পায়। স্পিড টেস্টেও তারা খারাপ ফল দেখায়। ফোন বন্ধ করে ডেস্কের ওপর রাখলেও একই ফলাফল পাওয়া যায়। যাদের ফোন পাশের রুমে ছিল তাদের ফলাফল এ তুলনায় ভালো হয়। এর থেকে বোঝা যায়, একজন মানুষের স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধিমত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব রাখে স্মার্টফোন।

গবেষণার লেখক ডক্টর অ্যাড্রিয়ান ওয়ার্ড বলেন, যারা নিজেরাই বলেন, তারা ফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব বেশি হতে দেখা যায়। তারা নিজেদের মনোযোগ ফোন থেকে দূরে রাখার জন্যও অনেকটা শক্তি খরচ করেন, ফলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাদের ফল খারাপ হয়। একে তিনি ‘ব্রেইন ড্রেইন’ বলে অভিহিত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বুদ্ধি কমিয়ে দেয় স্মার্টফোন’

আপডেট সময় ০৭:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। স্মার্টফোনের ওপর করা একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধি কমিয়ে দেয়।

এর পেছনে ফোনের প্রতি মনোযোগকেই দায়ী করেছেন গবেষকেরা। গবেষকরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে থাকে, তাহলে অন্যান্য কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, ফলে সেসব কাজে দক্ষতা কমে। দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না।

এ গবেষণার জন্য ৫২০ জন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীকে নেওয়া হয়। ফোনের আশেপাশে থাকা অবস্থায় তাদের বুদ্ধি এবং স্মৃতির পরীক্ষা করা হয়। ম্যাথেম্যাটিক, স্মৃতি এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

এ সময়ে তাদের ফোন ডেস্কে, পকেটে, ব্যাগে বা পাশের রুমে রাখা হয়। দেখা যায়, যাদের ডেস্কে ফোন রাখা হয় তারা পরীক্ষায় ১০ শতাংশ কম নাম্বার পায়। স্পিড টেস্টেও তারা খারাপ ফল দেখায়। ফোন বন্ধ করে ডেস্কের ওপর রাখলেও একই ফলাফল পাওয়া যায়। যাদের ফোন পাশের রুমে ছিল তাদের ফলাফল এ তুলনায় ভালো হয়। এর থেকে বোঝা যায়, একজন মানুষের স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধিমত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব রাখে স্মার্টফোন।

গবেষণার লেখক ডক্টর অ্যাড্রিয়ান ওয়ার্ড বলেন, যারা নিজেরাই বলেন, তারা ফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব বেশি হতে দেখা যায়। তারা নিজেদের মনোযোগ ফোন থেকে দূরে রাখার জন্যও অনেকটা শক্তি খরচ করেন, ফলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাদের ফল খারাপ হয়। একে তিনি ‘ব্রেইন ড্রেইন’ বলে অভিহিত করেন।