ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

পুলিশের সন্তানদের মিছিলের সামনে নেব, দেখি লাঠি তাদের গায়ে পড়ে কিনা: এমপি হারুন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় মহাবেশে পুলিশি বাধার প্রতিবাদ জানিয়ে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ বলেন, আমি রাজশাহীর মাটিতে পরিষ্কারভাবে পুলিশ ভাইদের বলে দিতে চাই- আগামী ৩০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ খুলবে। প্রস্তুত হোন। পুলিশের ছেলে যারা, যারা বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে পড়ালেখা করে। তাদেরকে মিছিলের সামনে আমরা নেব। দেখি পুলিশের লাঠি তাদের গায়ে পড়ে কিনা।

মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারের পাশে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশিদ বলেন, পুলিশ ভাইদের উদ্দেশে বলছি- আপনারা এ দেশের সন্তান। আইন, সংবিধান অনুযায়ী আপনারা চলবেন। পুলিশ কমিশনার, আইন আপনাকে দিয়েছে? কোন আইনে আপনি রাজশাহীর এই সমাবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন?

তিনি বলেন, আজকে আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে, পুলিশ কমিশনারের কাছে জানতে চাই কেন আপনারা এখানে ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি মোতায়েন রেখেছেন। কেন র্যা বের পোশাক পড়ে অস্ত্র হাতে সমাবেশে আশপাশে অবস্থান নিয়েছেন? আমি যখন গাড়ি থেকে নামলাম দেখলাম অস্ত্র নিয়ে জনগণের দিকে তাক করে আছে। এই অস্ত্র আপনাদের কেন দেওয়া হয়েছে? আপনারা ভারতীয় সীমান্তে যান, সেখানে পাখির মতো গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজকের এই সমাবেশ হচ্ছে লুটেরাদের উৎখাত করার সমাবেশ। আজকের এই সমাবেশ হচ্ছে মাফিয়াদের বিতাড়িত করার সমাবেশ। আজকের সমাবেশ দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার সমাবেশ।

তিনি বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যিনি মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন তাকে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ছয় সিটির জনতার মেয়রদের রাজশাহী আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এসব করে পার পাবেন না।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য হারুন-অর রশিদ বলেছেন, আমি পার্লামেন্টে যোগদান করেছি। আমি সাংবাদিক বন্ধুদের উদ্দেশে আজকে বলতে চাই, জাতির উদ্দেশে বলে দিতে চাই, যে মুহূর্তে তারেক রহমান বলবেন, এই অবৈধ সংসদ থেকে পদত্যাগ করে বেরিয়ে আসব। আপনারা শুধু প্রস্তুত হোন যুদ্ধের জন্য। লাঠি লাগে, অস্ত্র লাগে, যা কিছু লাগে তাই নিয়ে আমরা প্রস্তুত হব, ইনশাআল্লাহ। মানুষ আগুন হয়ে আছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত।

এছাড়াও বক্তব্য দেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামসুল হক প্রামাণিক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফা প্রমুখ।

সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন। সমাবেশে বিভাগের আট জেলার সভাপতি ও সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে টানাপোড়েন: কমেছে কর্মী গমন

পুলিশের সন্তানদের মিছিলের সামনে নেব, দেখি লাঠি তাদের গায়ে পড়ে কিনা: এমপি হারুন

আপডেট সময় ১১:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় মহাবেশে পুলিশি বাধার প্রতিবাদ জানিয়ে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ বলেন, আমি রাজশাহীর মাটিতে পরিষ্কারভাবে পুলিশ ভাইদের বলে দিতে চাই- আগামী ৩০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ খুলবে। প্রস্তুত হোন। পুলিশের ছেলে যারা, যারা বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে পড়ালেখা করে। তাদেরকে মিছিলের সামনে আমরা নেব। দেখি পুলিশের লাঠি তাদের গায়ে পড়ে কিনা।

মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারের পাশে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশিদ বলেন, পুলিশ ভাইদের উদ্দেশে বলছি- আপনারা এ দেশের সন্তান। আইন, সংবিধান অনুযায়ী আপনারা চলবেন। পুলিশ কমিশনার, আইন আপনাকে দিয়েছে? কোন আইনে আপনি রাজশাহীর এই সমাবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন?

তিনি বলেন, আজকে আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে, পুলিশ কমিশনারের কাছে জানতে চাই কেন আপনারা এখানে ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি মোতায়েন রেখেছেন। কেন র্যা বের পোশাক পড়ে অস্ত্র হাতে সমাবেশে আশপাশে অবস্থান নিয়েছেন? আমি যখন গাড়ি থেকে নামলাম দেখলাম অস্ত্র নিয়ে জনগণের দিকে তাক করে আছে। এই অস্ত্র আপনাদের কেন দেওয়া হয়েছে? আপনারা ভারতীয় সীমান্তে যান, সেখানে পাখির মতো গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজকের এই সমাবেশ হচ্ছে লুটেরাদের উৎখাত করার সমাবেশ। আজকের এই সমাবেশ হচ্ছে মাফিয়াদের বিতাড়িত করার সমাবেশ। আজকের সমাবেশ দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার সমাবেশ।

তিনি বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যিনি মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন তাকে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ছয় সিটির জনতার মেয়রদের রাজশাহী আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এসব করে পার পাবেন না।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য হারুন-অর রশিদ বলেছেন, আমি পার্লামেন্টে যোগদান করেছি। আমি সাংবাদিক বন্ধুদের উদ্দেশে আজকে বলতে চাই, জাতির উদ্দেশে বলে দিতে চাই, যে মুহূর্তে তারেক রহমান বলবেন, এই অবৈধ সংসদ থেকে পদত্যাগ করে বেরিয়ে আসব। আপনারা শুধু প্রস্তুত হোন যুদ্ধের জন্য। লাঠি লাগে, অস্ত্র লাগে, যা কিছু লাগে তাই নিয়ে আমরা প্রস্তুত হব, ইনশাআল্লাহ। মানুষ আগুন হয়ে আছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত।

এছাড়াও বক্তব্য দেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামসুল হক প্রামাণিক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফা প্রমুখ।

সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন। সমাবেশে বিভাগের আট জেলার সভাপতি ও সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন।