ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আসলে প্রথম গুলি চালাবে তারেক রহমানের ওপর: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিশোরীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে ছুরিকাঘাতে দাদিকে খুন হামাসের শীর্ষ সামরিক প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে: রিজভী নাইজেরিয়ায় স্কুলে বন্দুকধারীদের হামলা, বহু শিক্ষার্থী অপহরণ টাকা ছাপানোর অভিযোগ ‘গালগল্প’: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা দেশের স্বার্থ নষ্ট হয়, এমন চুক্তি করবে না সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নাসির-তামিমার সাজা হলে সমাজে ব্যভিচার দূর হবে : বাদীর আইনজীবী কুমিল্লা বিভাগের দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

‘চল যাই যুদ্ধে, কারিগরির বিরুদ্ধে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পরিবারকল্যাণ পরিদর্শকদের ‘ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি’ সমমান না করাসহ তিন দফা দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘বাংলাদেশ ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন’ এই প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

‘চল যাই যুদ্ধে, কারিগরির বিরুদ্ধে’- এমন স্লোগান সংবলিত ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ করেন নার্সরা।

অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি লিজা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মো. মামুন হাসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের অধীনে পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্স হিসেবে নিবন্ধন না দেওয়া; পরিবারকল্যাণ পরিদর্শকদের ‘ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি’ সমমান না করা এবং গত ৫ ফেব্রুয়ারি ব্যাচেলর অব নার্সিং সায়েন্স, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারির ছাত্র-ছাত্রীদের নির্ধারিত কম্প্রিহেন্সিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার স্থগিতাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে কারিগরিমুক্ত কম্প্রিহেন্সিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

সমাবেশে আন্দোলনকারীরা বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সব শর্ত (শিক্ষাগত যোগ্যতা জেলা কোটা ও শারীরিক যোগ্যতা) পূরণ সাপেক্ষে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নার্সিং কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেন তারা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই কাউন্সিলের কম্প্রিহেন্সিভ (লাইসেন্সিং/প্রি রেজিস্ট্রেশন) দায়িত্ব পালনের বৈধ নার্স হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বতন্ত্র পেশা হিসেবে প্রচলিত হলেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ক্ষেত্রে চতুরতার মাধ্যমে নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। যা একদিকে যেমন দেশের জনগণকে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের মান বিনষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘চল যাই যুদ্ধে, কারিগরির বিরুদ্ধে’

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পরিবারকল্যাণ পরিদর্শকদের ‘ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি’ সমমান না করাসহ তিন দফা দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘বাংলাদেশ ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন’ এই প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

‘চল যাই যুদ্ধে, কারিগরির বিরুদ্ধে’- এমন স্লোগান সংবলিত ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ করেন নার্সরা।

অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি লিজা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মো. মামুন হাসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের অধীনে পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্স হিসেবে নিবন্ধন না দেওয়া; পরিবারকল্যাণ পরিদর্শকদের ‘ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি’ সমমান না করা এবং গত ৫ ফেব্রুয়ারি ব্যাচেলর অব নার্সিং সায়েন্স, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারির ছাত্র-ছাত্রীদের নির্ধারিত কম্প্রিহেন্সিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার স্থগিতাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে কারিগরিমুক্ত কম্প্রিহেন্সিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

সমাবেশে আন্দোলনকারীরা বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সব শর্ত (শিক্ষাগত যোগ্যতা জেলা কোটা ও শারীরিক যোগ্যতা) পূরণ সাপেক্ষে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নার্সিং কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেন তারা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই কাউন্সিলের কম্প্রিহেন্সিভ (লাইসেন্সিং/প্রি রেজিস্ট্রেশন) দায়িত্ব পালনের বৈধ নার্স হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বতন্ত্র পেশা হিসেবে প্রচলিত হলেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ক্ষেত্রে চতুরতার মাধ্যমে নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। যা একদিকে যেমন দেশের জনগণকে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের মান বিনষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।