ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত ও আওয়ামী লীগ ‘মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম নির্বাচনকালীন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিএসএফ সচেষ্ট : বিজিবি দেশের নব্বই শতাংশ চাঁদাবাজের হাত চিরতরে অবশ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: রিজভী জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, দুলুর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা টানা ছয় জয় বাংলাদেশের মেয়েদের যে সরকারই আসুক, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার এই নির্বাচন দিকনির্দেশনা দেবে আগামীতে দেশ কোন দিকে পরিচালিত হবে: তারেক রহমান রাজধানীর উত্তরায় পার্কিং করা বাসে আগুন জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ

দুর্নীতির মামলায় ফের আদালতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

দুর্নীতির অভিযোগে ফের আদালতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। এর মধ্য দিয়ে সেখানে নির্বাচনের ৬ সপ্তাহ আগে এই বিচার কার্যক্রম নতুন এক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের অজুহাতে তার বিরুদ্ধে শুনানি বেশ কয়েক দফা পিছানো হয়েছিল। তারপর সোমবার শুনানি শুরু হয়। এসময় তিনি অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছেন। এরপরে মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণ যাচাই বাছাই করার কথা।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গত বছর অভিযোগ আনা হয়। তাতে বলা হয়, তিনি যথার্থহীন উপহার নিয়েছেন এবং তার পক্ষে খবর প্রকাশের জন্য মিডিয়া মুঘলদের বাণিজ্যিক সুবিধা দিতে চেয়েছেন। যদি এ অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হন তাহলে তিনিই হবেন এমন প্রথম ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু মে মাসে প্রথম আদালতে হাজির হওয়ার আগে ৭১ বছর বয়সী এই নেতা অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছেন। বলেছেন, এসব বানোয়াট, হাস্যকর। তিনি দাবি করেছেন তিনি শত্রুতার শিকার।

এদিকে সোমবার জেরুজালেমে আদালতের বাইরে থেকে রিপোর্ট করেন আল জাজিরার সাংবাদিক হ্যারি ফসেট। তিনি বলেন, আদালতের বাইরে এদিন নেতানিয়াহু বিরোধী বিপুল সংখ্যক মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এদিন আদালতে তিনটি মামলায় তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার জবাব দেয়ার কথা। এজন্য সপ্তাহে তিনবার আদালতে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে নেতানিয়াহুর।

অন্যদিকে, ইসরায়েলে দু’বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আগামী ২৩ শে মার্চ চতুর্থবারের জন্য নির্বাচন হতে যাচ্ছে। প্রায় ৯ মাস আগে সর্বশেষ যখন আদালতে হাজির হয়েছিলেন নেতানিয়াহু, তখন তিনি ছিলেন নির্বাচনে জয়ী, একজন ফ্রেস মানুষ। তিনি তখন প্রতিদ্বন্দ্বী বেনি গান্টজ-এর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করছিলেন। কিন্তু সেই জোট সরকার টেকসই হয়নি। নেতানিয়াহুকে অসৎ আখ্যায়িত করেন গাণ্টজ। এর ফলে ডিসেম্বরেই জোট ভেঙে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ ‘মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

দুর্নীতির মামলায় ফের আদালতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

দুর্নীতির অভিযোগে ফের আদালতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। এর মধ্য দিয়ে সেখানে নির্বাচনের ৬ সপ্তাহ আগে এই বিচার কার্যক্রম নতুন এক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের অজুহাতে তার বিরুদ্ধে শুনানি বেশ কয়েক দফা পিছানো হয়েছিল। তারপর সোমবার শুনানি শুরু হয়। এসময় তিনি অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছেন। এরপরে মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণ যাচাই বাছাই করার কথা।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গত বছর অভিযোগ আনা হয়। তাতে বলা হয়, তিনি যথার্থহীন উপহার নিয়েছেন এবং তার পক্ষে খবর প্রকাশের জন্য মিডিয়া মুঘলদের বাণিজ্যিক সুবিধা দিতে চেয়েছেন। যদি এ অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হন তাহলে তিনিই হবেন এমন প্রথম ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু মে মাসে প্রথম আদালতে হাজির হওয়ার আগে ৭১ বছর বয়সী এই নেতা অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছেন। বলেছেন, এসব বানোয়াট, হাস্যকর। তিনি দাবি করেছেন তিনি শত্রুতার শিকার।

এদিকে সোমবার জেরুজালেমে আদালতের বাইরে থেকে রিপোর্ট করেন আল জাজিরার সাংবাদিক হ্যারি ফসেট। তিনি বলেন, আদালতের বাইরে এদিন নেতানিয়াহু বিরোধী বিপুল সংখ্যক মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এদিন আদালতে তিনটি মামলায় তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার জবাব দেয়ার কথা। এজন্য সপ্তাহে তিনবার আদালতে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে নেতানিয়াহুর।

অন্যদিকে, ইসরায়েলে দু’বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আগামী ২৩ শে মার্চ চতুর্থবারের জন্য নির্বাচন হতে যাচ্ছে। প্রায় ৯ মাস আগে সর্বশেষ যখন আদালতে হাজির হয়েছিলেন নেতানিয়াহু, তখন তিনি ছিলেন নির্বাচনে জয়ী, একজন ফ্রেস মানুষ। তিনি তখন প্রতিদ্বন্দ্বী বেনি গান্টজ-এর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করছিলেন। কিন্তু সেই জোট সরকার টেকসই হয়নি। নেতানিয়াহুকে অসৎ আখ্যায়িত করেন গাণ্টজ। এর ফলে ডিসেম্বরেই জোট ভেঙে যায়।