ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিগ্রের রাজধানী ঘিরে ফেলল সেনাবাহিনী, আত্মসমর্পণ না করলে অভিযান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

গত তিন সপ্তাহ ধরে ইথিওপিয়ার সেনার সঙ্গে টিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট(টিপিএলএফ)-এর লড়াই চলছে। টিপিএলএফের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত হানার জন্য তৈরি হচ্ছে সেনা। ইথিওপিয়ার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, টিগ্রের রাজধানীকে ঘিরে ফেলেছে সেনা।

বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী আগেই টিপিএলএফকে লড়াই থামিয়ে সেনার কাছে আত্মসমর্পণের জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। সেই অনুরোধ না মানলে যে সেনা রাজধানীতে ঢুকে টিপিএলএফএর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন সরকারি মুখপাত্র।

১৯৯১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ইথিওপিয়া শাসন করেছে টিপিএলএফ। ২০১৮-তে অ্যাবি আহমেদ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলায়। এখন টিপিএলএফের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক অ্যাবি। টিগ্রের সংঘাত শুরু এই মাস থেকে। টিপিএলেফের অনুগত বাহিনী নর্দান কম্যান্ডকে আক্রমণ করে। বেশ কিছু সেনার মৃত্যু হয়। তারপর থেকে সেনা বনাম টিপিএলএফের লড়াই শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের পালানো। জাতিসংঘের হিসাব, টিগ্রে থেকে ৪০ হাজার মানুষ চলে গেছেন সুদানে। জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থা এখন তাদের খাবার ও অস্থায়ী মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে। এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, উদ্বাস্তু স্রোত বাড়ছে।

টিগ্রের নেতারা অবশ্য দাবি করেছেন, তারা সেনার হুমকির কাছে মাথা নত করবেন না। মানুষ টিগ্রের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। ইথিওপিয়া সরকারের দাবি মেনে আত্মসমর্পণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী অ্যাবে সোমবার বলেছেন, বিরোধ যে জায়গায় গেছে, সেখান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভব নয়। তাই তিনিও তার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসছেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

টিগ্রের রাজধানী ঘিরে ফেলল সেনাবাহিনী, আত্মসমর্পণ না করলে অভিযান

আপডেট সময় ০২:০০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

গত তিন সপ্তাহ ধরে ইথিওপিয়ার সেনার সঙ্গে টিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট(টিপিএলএফ)-এর লড়াই চলছে। টিপিএলএফের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত হানার জন্য তৈরি হচ্ছে সেনা। ইথিওপিয়ার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, টিগ্রের রাজধানীকে ঘিরে ফেলেছে সেনা।

বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী আগেই টিপিএলএফকে লড়াই থামিয়ে সেনার কাছে আত্মসমর্পণের জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। সেই অনুরোধ না মানলে যে সেনা রাজধানীতে ঢুকে টিপিএলএফএর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন সরকারি মুখপাত্র।

১৯৯১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ইথিওপিয়া শাসন করেছে টিপিএলএফ। ২০১৮-তে অ্যাবি আহমেদ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলায়। এখন টিপিএলএফের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক অ্যাবি। টিগ্রের সংঘাত শুরু এই মাস থেকে। টিপিএলেফের অনুগত বাহিনী নর্দান কম্যান্ডকে আক্রমণ করে। বেশ কিছু সেনার মৃত্যু হয়। তারপর থেকে সেনা বনাম টিপিএলএফের লড়াই শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের পালানো। জাতিসংঘের হিসাব, টিগ্রে থেকে ৪০ হাজার মানুষ চলে গেছেন সুদানে। জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থা এখন তাদের খাবার ও অস্থায়ী মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে। এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, উদ্বাস্তু স্রোত বাড়ছে।

টিগ্রের নেতারা অবশ্য দাবি করেছেন, তারা সেনার হুমকির কাছে মাথা নত করবেন না। মানুষ টিগ্রের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। ইথিওপিয়া সরকারের দাবি মেনে আত্মসমর্পণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী অ্যাবে সোমবার বলেছেন, বিরোধ যে জায়গায় গেছে, সেখান থেকে পিছিয়ে আসা সম্ভব নয়। তাই তিনিও তার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসছেন না।