ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনা তদন্ত রিপোর্ট প্রকৃত দোষীকে রক্ষার চাতুরী: নওয়াজ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

পাকিস্তানের করাচি নগরীতে ১১ দলীয় জোট পিডিএম নেত্রী মরিয়ম নওয়াজের স্বামী মোহাম্মদ সফদারকে হোটেল থেকে গ্রেফতার ঘটনা নিয়ে উদ্ভূত উত্তেজনা কমার লক্ষণ এখনো দৃশ্যমান নয়।

পিএমএল নেতা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও অন্যান্য দল বলছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা চাপ দিয়ে ওই গ্রেফতার ঘটিয়েছেন। সিন্ধু পুলিশ এতে রাজি ছিল না। তাই পুলিশের মহাপরিদর্শককে অপহরণ করে তাকে সফদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধ্য করা হয়েছে। করাচি ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রবল হয়ে উঠলে সেনাপ্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া বাধ্য হয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। ১০ আগস্ট আর্মির তদন্ত রিপোর্টে বলা হয় : মিলিটারির কিছু গোয়েন্দা অফিসার আর সৈন্য ‘অতিউৎসাহী’ হয়ে কাজবি (অপহরণ) করেছিল। কারণ সফদার জাতির পিতা জিন্নাহর কবর প্রাঙ্গণে সমাবেশ করার মাধ্যমে ওই কবরকে অপবিত্র করায় ক্ষুব্ধ জনতা চাপ সৃষ্টি করছিল।

নওয়াজ শরিফ তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আর্মির তদন্ত রিপোর্টে জুনিয়রদের ওপর দোষ চাপিয়ে প্রকৃত দোষীকে রক্ষার চাতুরী করা হয়েছে। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’ জানায়, সিন্ধু পুলিশের আইজি অপহরণ ঘটনার পর সেনাবাহিনী অস্বস্তিতে পড়েছে। রাজনীতিকরা বলছেন, এস্টাব্লিশমেন্ট (অর্থাৎ সেনাবাহিনী) তাদের ইচ্ছা কার্যকর করতে গিয়ে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিচ্ছে। আর্মি অবশ্য অবস্থা ‘সামাল দিতে শুরু করছে যার আলামত হলো পিপলস পার্টির ভূমিকা। এই দলের নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, জনসভায় আর্মির বিরুদ্ধে কথাবার্তা বলা হয়েছে জেনে আর্মি মর্মাহত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেনা তদন্ত রিপোর্ট প্রকৃত দোষীকে রক্ষার চাতুরী: নওয়াজ

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

পাকিস্তানের করাচি নগরীতে ১১ দলীয় জোট পিডিএম নেত্রী মরিয়ম নওয়াজের স্বামী মোহাম্মদ সফদারকে হোটেল থেকে গ্রেফতার ঘটনা নিয়ে উদ্ভূত উত্তেজনা কমার লক্ষণ এখনো দৃশ্যমান নয়।

পিএমএল নেতা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও অন্যান্য দল বলছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা চাপ দিয়ে ওই গ্রেফতার ঘটিয়েছেন। সিন্ধু পুলিশ এতে রাজি ছিল না। তাই পুলিশের মহাপরিদর্শককে অপহরণ করে তাকে সফদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধ্য করা হয়েছে। করাচি ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রবল হয়ে উঠলে সেনাপ্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া বাধ্য হয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। ১০ আগস্ট আর্মির তদন্ত রিপোর্টে বলা হয় : মিলিটারির কিছু গোয়েন্দা অফিসার আর সৈন্য ‘অতিউৎসাহী’ হয়ে কাজবি (অপহরণ) করেছিল। কারণ সফদার জাতির পিতা জিন্নাহর কবর প্রাঙ্গণে সমাবেশ করার মাধ্যমে ওই কবরকে অপবিত্র করায় ক্ষুব্ধ জনতা চাপ সৃষ্টি করছিল।

নওয়াজ শরিফ তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আর্মির তদন্ত রিপোর্টে জুনিয়রদের ওপর দোষ চাপিয়ে প্রকৃত দোষীকে রক্ষার চাতুরী করা হয়েছে। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’ জানায়, সিন্ধু পুলিশের আইজি অপহরণ ঘটনার পর সেনাবাহিনী অস্বস্তিতে পড়েছে। রাজনীতিকরা বলছেন, এস্টাব্লিশমেন্ট (অর্থাৎ সেনাবাহিনী) তাদের ইচ্ছা কার্যকর করতে গিয়ে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিচ্ছে। আর্মি অবশ্য অবস্থা ‘সামাল দিতে শুরু করছে যার আলামত হলো পিপলস পার্টির ভূমিকা। এই দলের নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, জনসভায় আর্মির বিরুদ্ধে কথাবার্তা বলা হয়েছে জেনে আর্মি মর্মাহত।