ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

ফেনীতে ধর্ষণের ভিডিও প্রচারের হুমকি, নারীসহ গ্রেফতার ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ফেনীতে ধর্ষণের ভিডিও প্রচারের হুমকি দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর সতর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার চাঁদগাজী ইউনিয়নের উত্তর সতর গ্রামের মমিন হোসেন পাটোয়ারী, তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেন ও ভাবি রেহানা আক্তার।

পরিদর্শক মাহবুবুর বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ভিকটিম নারী বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, মোমিনের স্থানীয় চাঁদগাজী বাজারে একটি দোকান রয়েছে। দোকানে কেনাকাটা করতে গিয়ে করতে গিয়ে ওই নারীর সঙ্গে মোমিনের পরিচয় হয়।

এক পর্যায়ে মোমিন ওই নারীর পাকিস্তান প্রবাসী স্বামীর মৃতুর খবর জানতে পেরে গত জুলাই মাসের শুরুতে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে মোমেন কথা বলার জন্য তার ভাবি রেহানা বেগমের বাসায় ওই নারীকে নিয়ে যায় এবং ভাবির সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে।

এরপর গত ৩০ অক্টোবর ওই নারীকে রেহানার বাসায় ডেকে নিয়ে ফের ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে।

এরপর ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের হুমকি দিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও এক লাখ টাকা আদায় করে এবং বিয়ে করবে না বলে জানায়।

পরে ওই নারী ধর্ষণ, স্বর্ণালংকার ও টাকা নেয়া এবং ভিডিও ধারনের বিষয়টি মোমিনের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীকে জানালে তিনি কাউকে না জানানোর জন্য বলে হুমকি দেন। পরে গত ৫ নভেম্বর ওই নারীকে রেহানার বাসায় ডেকে নিয়ে মারধরও করা।

যে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে সেটি জব্দ এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

ফেনীতে ধর্ষণের ভিডিও প্রচারের হুমকি, নারীসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় ০১:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ফেনীতে ধর্ষণের ভিডিও প্রচারের হুমকি দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর সতর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার চাঁদগাজী ইউনিয়নের উত্তর সতর গ্রামের মমিন হোসেন পাটোয়ারী, তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেন ও ভাবি রেহানা আক্তার।

পরিদর্শক মাহবুবুর বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ভিকটিম নারী বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, মোমিনের স্থানীয় চাঁদগাজী বাজারে একটি দোকান রয়েছে। দোকানে কেনাকাটা করতে গিয়ে করতে গিয়ে ওই নারীর সঙ্গে মোমিনের পরিচয় হয়।

এক পর্যায়ে মোমিন ওই নারীর পাকিস্তান প্রবাসী স্বামীর মৃতুর খবর জানতে পেরে গত জুলাই মাসের শুরুতে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে মোমেন কথা বলার জন্য তার ভাবি রেহানা বেগমের বাসায় ওই নারীকে নিয়ে যায় এবং ভাবির সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে।

এরপর গত ৩০ অক্টোবর ওই নারীকে রেহানার বাসায় ডেকে নিয়ে ফের ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে।

এরপর ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের হুমকি দিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও এক লাখ টাকা আদায় করে এবং বিয়ে করবে না বলে জানায়।

পরে ওই নারী ধর্ষণ, স্বর্ণালংকার ও টাকা নেয়া এবং ভিডিও ধারনের বিষয়টি মোমিনের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীকে জানালে তিনি কাউকে না জানানোর জন্য বলে হুমকি দেন। পরে গত ৫ নভেম্বর ওই নারীকে রেহানার বাসায় ডেকে নিয়ে মারধরও করা।

যে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে সেটি জব্দ এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।