ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আন্তর্জাতিক মানদন্ডে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে: নৌ-পরিবহনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিক দুই মেয়াদের ক্ষমতায় আন্তর্জাতিক মানদন্ডে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে। শুক্রবার সকালে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে এর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী একথা জানান।

শাজাহান খান বলেন, ‘২০০৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিলো ৯৮ তম। বর্তমানে ২০১৭ সালে তা উন্নীত হয়ে ৭১তম ধাপে উঠে এসেছে। এটি বর্তমান সরকারের বড় সাফল্য বলে আমি মনে করি।’

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এটি দীর্ঘদিন জমাট বেধে ছিলো রক্ত সঞ্চালন হচ্ছিলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্দরের হৃদপিন্ডে অপারেশন করে তা সচল করেছেন। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয় প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষেত্রে প্রমাণ করেছেন রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি দক্ষ। একজন দক্ষ চালকের মত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’

আলোচনা পর্বের পর দুপুরে বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে নতুন কেনা চারটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনসহ ৪৬টি হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় মন্ত্রী পতেঙ্গার বিমানবন্দর সড়কের পাশে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ একর জায়গার ওপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে। নির্মিতব্য টার্মিনালটি সাগরের কাছাকাছি হওয়ায় বন্দরের বর্তমান জেটির চেয়ে কম সময়ে জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। আবার এনসিটি ও সিসিটির মতো সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজও বার্থিং করতে পারবে। ২০১৯ সালের মধ্যে এই টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক মানদন্ডে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে: নৌ-পরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিক দুই মেয়াদের ক্ষমতায় আন্তর্জাতিক মানদন্ডে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে। শুক্রবার সকালে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে এর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী একথা জানান।

শাজাহান খান বলেন, ‘২০০৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিলো ৯৮ তম। বর্তমানে ২০১৭ সালে তা উন্নীত হয়ে ৭১তম ধাপে উঠে এসেছে। এটি বর্তমান সরকারের বড় সাফল্য বলে আমি মনে করি।’

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এটি দীর্ঘদিন জমাট বেধে ছিলো রক্ত সঞ্চালন হচ্ছিলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্দরের হৃদপিন্ডে অপারেশন করে তা সচল করেছেন। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয় প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষেত্রে প্রমাণ করেছেন রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি দক্ষ। একজন দক্ষ চালকের মত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’

আলোচনা পর্বের পর দুপুরে বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে নতুন কেনা চারটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনসহ ৪৬টি হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় মন্ত্রী পতেঙ্গার বিমানবন্দর সড়কের পাশে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ একর জায়গার ওপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে। নির্মিতব্য টার্মিনালটি সাগরের কাছাকাছি হওয়ায় বন্দরের বর্তমান জেটির চেয়ে কম সময়ে জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। আবার এনসিটি ও সিসিটির মতো সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজও বার্থিং করতে পারবে। ২০১৯ সালের মধ্যে এই টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।