ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

‘সহায়তা না পেলে পোশাক খাতকে সামাল দেওয়া যেত না’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনাকালে প্রণোদনা, সহযোগিতা-সহায়তা না দিলে রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক খাতকে উদ্যোক্তারা সামাল দিতে পারতেন না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রোববার (০১ নভেম্বর) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সময়ে যখন সব কিছু স্থবির হয়ে পড়েছিলো তখনও আমাদের দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশের অর্থনীতি প্রতিবেশী অন্য সব দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে ছিলো।

টিপু মুনশি বলেন, সত্যিকার অর্থে দেশটা অনেক এগিয়েছে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। বিশ্বের সব সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, দেশের অর্থনীতি প্রতিবেশী অন্য সব দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে। তবে আমরা একেবারেই বিপদমুক্ত না, কিছুটা হয়তো ঝুঁকিও রয়েছে। আমাদের ইতিবাচক দিকটাকে লিখিত আকারে তুলে ধরতে হবে। আমরা এটা করলে সমালোচনা হবে, বলা হবে একতরফা, তাই সত্যটাকে লিখিত আকারে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু এখানে কারোর কিছু করার নেই, আমাদের চাহিদার তুলনায় ৮ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির ৯০ শতাংশ যোগানদাতা ভারত। কিন্তু তারা হঠাৎ করেই রপ্তানি বন্ধ করেছে, এর আগেও এটা হয়েছিলো। এজন্য আমরা তাদের অনেক বকাবকি করেছি। তবে আগামীতে পেঁয়াজে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবো।

পেঁয়াজ ও আলুর দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের কলকাতাতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৫৫ টাকা, পেঁয়াজ বাংলাদেশি টাকায় ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমাদের এখানেও আলু-পেঁয়াজের দাম বেশি, সেখানেও একই অবস্থা। কারণ, এই সময়ে ঘাটতি দুই দেশেই আছে। তবে সমস্যা সমাধানে আমরা মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসার পর পরই তারা আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছে।

ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম। এ সময় সিনিয়র সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

‘সহায়তা না পেলে পোশাক খাতকে সামাল দেওয়া যেত না’

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনাকালে প্রণোদনা, সহযোগিতা-সহায়তা না দিলে রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক খাতকে উদ্যোক্তারা সামাল দিতে পারতেন না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রোববার (০১ নভেম্বর) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সময়ে যখন সব কিছু স্থবির হয়ে পড়েছিলো তখনও আমাদের দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশের অর্থনীতি প্রতিবেশী অন্য সব দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে ছিলো।

টিপু মুনশি বলেন, সত্যিকার অর্থে দেশটা অনেক এগিয়েছে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। বিশ্বের সব সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, দেশের অর্থনীতি প্রতিবেশী অন্য সব দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে। তবে আমরা একেবারেই বিপদমুক্ত না, কিছুটা হয়তো ঝুঁকিও রয়েছে। আমাদের ইতিবাচক দিকটাকে লিখিত আকারে তুলে ধরতে হবে। আমরা এটা করলে সমালোচনা হবে, বলা হবে একতরফা, তাই সত্যটাকে লিখিত আকারে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু এখানে কারোর কিছু করার নেই, আমাদের চাহিদার তুলনায় ৮ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির ৯০ শতাংশ যোগানদাতা ভারত। কিন্তু তারা হঠাৎ করেই রপ্তানি বন্ধ করেছে, এর আগেও এটা হয়েছিলো। এজন্য আমরা তাদের অনেক বকাবকি করেছি। তবে আগামীতে পেঁয়াজে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবো।

পেঁয়াজ ও আলুর দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের কলকাতাতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় ৫৫ টাকা, পেঁয়াজ বাংলাদেশি টাকায় ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমাদের এখানেও আলু-পেঁয়াজের দাম বেশি, সেখানেও একই অবস্থা। কারণ, এই সময়ে ঘাটতি দুই দেশেই আছে। তবে সমস্যা সমাধানে আমরা মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসার পর পরই তারা আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছে।

ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম। এ সময় সিনিয়র সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।