ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবি পলকের

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

১৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শিশু শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানালেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী আজ আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উদ্যোগে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও এস এস সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের আজকে শিশুদের আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশের যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় আইসিটি বিভাগ সারা দেশে ৮০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে। যেখানে শিশুরা প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দেশে আরও ৫০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব এবং ৩০০টি স্কুলে “স্কুল অব ফিউচার” স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।

পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য শিশু অধিকার আইন করে গিয়েছিলেন এবং সংবিধানে প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষাকে অবৈতনিক করে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতার দর্শনকে বুকে ধারণ করে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই বাংলাদেশের মাটিতে আর যেন কখনো শেখ রাসেলের মতো নিরপরাধ শিশুকে জীবন দিতে হয় না সে জন্য প্রত্যেক শিশুকে প্রস্তুত হতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবি পলকের

আপডেট সময় ০৮:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

১৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শিশু শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানালেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী আজ আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উদ্যোগে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও এস এস সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের আজকে শিশুদের আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশের যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় আইসিটি বিভাগ সারা দেশে ৮০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে। যেখানে শিশুরা প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দেশে আরও ৫০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব এবং ৩০০টি স্কুলে “স্কুল অব ফিউচার” স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।

পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য শিশু অধিকার আইন করে গিয়েছিলেন এবং সংবিধানে প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষাকে অবৈতনিক করে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতার দর্শনকে বুকে ধারণ করে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই বাংলাদেশের মাটিতে আর যেন কখনো শেখ রাসেলের মতো নিরপরাধ শিশুকে জীবন দিতে হয় না সে জন্য প্রত্যেক শিশুকে প্রস্তুত হতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।