ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্ভরযোগ্য ডাটা জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি : অর্থমন্ত্রী ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমার সীমা‌ন্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ানো হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিশালে স্ট্যাম্প-চেকে জোর করে স্বাক্ষরের ঘটনায় দুজন গ্রেফতার খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ইরানের নিউইয়র্কে গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ ফিলিস্তিনে দখলদারত্ব না শেষ হলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক নয় : সিসি জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএসসিসির অভিযান জাইকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

বেগমগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে জয়কৃষ্ণপুর এলাকায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির তদন্তে উঠে আসায় প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বেগমগঞ্জ থানার ওসির প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, ওসি হারুনকে বেগমগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।

৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই নারীর নির্যাতনের বিষয়টি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওর বিষয়টি ৩২ দিন গড়ালেও কেন বেগমগঞ্জ থানার ওসি হারুন জানলো না তা গণমাধ্যম ও আইনশৃংখলা সভায় উঠে আসায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। এছাড়াও বিষয়টি পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা ডিএসবি নজরে কেন এল না, তা প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় এলাকায় এক নারীর (৩৬) সঙ্গে তার আগের স্বামী দেখা করতে তার বাবার বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকেন। বিষয়টি দেখে পেলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার।

রাত ১০টার দিকে দেলোয়ার তার লোকজন নিয়ে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পর পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে।

৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় তথা দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বেগমগঞ্জ থানা প্রশাসন ও ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ওসির অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন মহল থেকে জোর দাবি জানানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের হৃদয়ে যখন প্রশান্তি ও বরকত নেমে আসে

বেগমগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৫:৪১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে জয়কৃষ্ণপুর এলাকায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির তদন্তে উঠে আসায় প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বেগমগঞ্জ থানার ওসির প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, ওসি হারুনকে বেগমগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।

৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই নারীর নির্যাতনের বিষয়টি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওর বিষয়টি ৩২ দিন গড়ালেও কেন বেগমগঞ্জ থানার ওসি হারুন জানলো না তা গণমাধ্যম ও আইনশৃংখলা সভায় উঠে আসায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। এছাড়াও বিষয়টি পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা ডিএসবি নজরে কেন এল না, তা প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় এলাকায় এক নারীর (৩৬) সঙ্গে তার আগের স্বামী দেখা করতে তার বাবার বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকেন। বিষয়টি দেখে পেলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার।

রাত ১০টার দিকে দেলোয়ার তার লোকজন নিয়ে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পর পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে।

৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় তথা দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বেগমগঞ্জ থানা প্রশাসন ও ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ওসির অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন মহল থেকে জোর দাবি জানানো হয়।