ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬

ধর্ষণের শিকাররা দণ্ডিত ধর্ষকের সম্পদ পাবেন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ধর্ষক দণ্ডিত হলেও ধর্ষিত ব্যক্তি তার সম্পদ পাওয়ার বিষয়ে আইনে বিধান আছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে সকালে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

ভার্চুয়াল এ বৈঠক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা সচিবালয় থেকে ভার্চুয়াল এই সভায় যোগ দেন।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এখানে (আইনে) ক্ষতিপূরণের বিষয়ও রয়েছে, বিচারকরা যেন সেদিকে নজর দেন। ১৫ ধারায় অর্থদণ্ডের বিষয়ে বলা আছে। অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দণ্ডিত ব্যক্তির থেকে বা তার বিদ্যমান সম্পদ থেকে এ সম্পদ পাবেন।

ধর্ষণের মামলা কত দিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ১৮০ দিনের মধ্যে সম্পন্নের সিদ্ধান্ত আছে। তদন্ত এবং বিচার পদ্ধতিসহ সবকিছুই এর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে। নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল এটি করবে।

বিচারক যদি কোনো কারণে বদলি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে অনেক সময় বিলম্ব হয় জানিয়ে সচিব বলেন, এজন্য কোনো বিচারকের বদলি হয়ে গেলেও তিনি মামলা যে অবস্থায় রেখে যাবেন সে অবস্থা থেকে মামলা চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ সংশোধনী শুধু আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নয়, বিভিন্ন দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আমরা দেখেছি। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিসহ সবকিছু মিলিয়েই এ সিদ্ধান্ত এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এটি আলোচনায় এসেছে।

এই সংশোধনীর ফলে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে ব্যাপক ক্যাম্পেইন হচ্ছে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এর ফলে একটি পজিটিভ ইম্প্যাক্ট পড়বে সাধারণ মানুষের মধ্যে। যারা এই ধরনের অপরাধ করার জন্য চিন্তা করবে তারা অন্তত মৃত্যুদণ্ডের আদেশের কথা ভাববে। এতে একটু হলেও মনে ভয় আসবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বটিয়াঘাটায় গুলির ঘটনার পর বিতর্কের মুখে ওসি প্রত্যাহার

ধর্ষণের শিকাররা দণ্ডিত ধর্ষকের সম্পদ পাবেন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

আপডেট সময় ০৬:৫৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ধর্ষক দণ্ডিত হলেও ধর্ষিত ব্যক্তি তার সম্পদ পাওয়ার বিষয়ে আইনে বিধান আছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে সকালে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

ভার্চুয়াল এ বৈঠক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা সচিবালয় থেকে ভার্চুয়াল এই সভায় যোগ দেন।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এখানে (আইনে) ক্ষতিপূরণের বিষয়ও রয়েছে, বিচারকরা যেন সেদিকে নজর দেন। ১৫ ধারায় অর্থদণ্ডের বিষয়ে বলা আছে। অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দণ্ডিত ব্যক্তির থেকে বা তার বিদ্যমান সম্পদ থেকে এ সম্পদ পাবেন।

ধর্ষণের মামলা কত দিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ১৮০ দিনের মধ্যে সম্পন্নের সিদ্ধান্ত আছে। তদন্ত এবং বিচার পদ্ধতিসহ সবকিছুই এর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে। নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল এটি করবে।

বিচারক যদি কোনো কারণে বদলি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে অনেক সময় বিলম্ব হয় জানিয়ে সচিব বলেন, এজন্য কোনো বিচারকের বদলি হয়ে গেলেও তিনি মামলা যে অবস্থায় রেখে যাবেন সে অবস্থা থেকে মামলা চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ সংশোধনী শুধু আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নয়, বিভিন্ন দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আমরা দেখেছি। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিসহ সবকিছু মিলিয়েই এ সিদ্ধান্ত এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এটি আলোচনায় এসেছে।

এই সংশোধনীর ফলে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে ব্যাপক ক্যাম্পেইন হচ্ছে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এর ফলে একটি পজিটিভ ইম্প্যাক্ট পড়বে সাধারণ মানুষের মধ্যে। যারা এই ধরনের অপরাধ করার জন্য চিন্তা করবে তারা অন্তত মৃত্যুদণ্ডের আদেশের কথা ভাববে। এতে একটু হলেও মনে ভয় আসবে।