ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’