ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার ২০২৬ বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিল জার্মানি

১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দেওয়াসহ তিন দফা জানিয়েছেন কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকরা।

বাকি দুই দফার মধ্যে রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ পাওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের অনুমতি দেওয়া।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষকদের পক্ষে এ দাবি জানিয়েছে কিন্ডারগার্ডেন ও সমমান স্কুল রক্ষা জাতীয় কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর কবীর রানা লিখিত বক্তব্যে বলেন, করোনা মহামারির কারণে ১৭ মার্চ থেকে সরকারি নির্দেশে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৮ লাখ শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর জীবন আজ বিপর্যয়ের মুখে। আর্থিক চাপ ও চরম হতাশায় নিপতিত হয়ে এর মধ্যে ১৪ জন শিক্ষক আত্মহত্যা ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। অনেক শিক্ষক পেশা পরিবর্তন করে রিকশাচালক, ভ্যানচালক, ফলবিক্রেতা অথবা রাজমিস্ত্রির কাজ করছেন।

তিনটি মূল দাবি তুলে ধরে জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দিতে হবে, শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য একটি সম্মানজনক বরাদ্দ দিতে হবে সরকারকে এবং আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে স্ব স্ব শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে মেধা মূল্যায়নের সুযোগ করে দিতে হবে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে মিজানুর রহমান সরকার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বিদ্যালয় খোলা। দেশের সবকিছু খোলা। দেশের আর কোনো খাত দেখলে বোঝা যাবে না যে, এ দেশে করোনা বলতে কিছু আছে। শুধু আমাদের বেলাতেই করোনা। অথচ এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ নির্ভরশীল।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার দাবি

আপডেট সময় ০৭:০০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দেওয়াসহ তিন দফা জানিয়েছেন কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকরা।

বাকি দুই দফার মধ্যে রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ পাওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের অনুমতি দেওয়া।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষকদের পক্ষে এ দাবি জানিয়েছে কিন্ডারগার্ডেন ও সমমান স্কুল রক্ষা জাতীয় কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর কবীর রানা লিখিত বক্তব্যে বলেন, করোনা মহামারির কারণে ১৭ মার্চ থেকে সরকারি নির্দেশে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৮ লাখ শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর জীবন আজ বিপর্যয়ের মুখে। আর্থিক চাপ ও চরম হতাশায় নিপতিত হয়ে এর মধ্যে ১৪ জন শিক্ষক আত্মহত্যা ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। অনেক শিক্ষক পেশা পরিবর্তন করে রিকশাচালক, ভ্যানচালক, ফলবিক্রেতা অথবা রাজমিস্ত্রির কাজ করছেন।

তিনটি মূল দাবি তুলে ধরে জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যালয় খুলে দিতে হবে, শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য একটি সম্মানজনক বরাদ্দ দিতে হবে সরকারকে এবং আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে স্ব স্ব শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে মেধা মূল্যায়নের সুযোগ করে দিতে হবে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে মিজানুর রহমান সরকার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বিদ্যালয় খোলা। দেশের সবকিছু খোলা। দেশের আর কোনো খাত দেখলে বোঝা যাবে না যে, এ দেশে করোনা বলতে কিছু আছে। শুধু আমাদের বেলাতেই করোনা। অথচ এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ নির্ভরশীল।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।