ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কিয়েভে রুশ হামলায় নিহত ২৪, পাল্টা হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলার পর রাশিয়াকে কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। খবর সামা টিভি অনলাইনের।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের (১৫ মে) হামলায় কিয়েভের দারনিতস্কি জেলার একটি নয়তলা আবাসিক ভবন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। হামলায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার সবচেয়ে বড় আকাশপথের হামলাগুলোর একটি। বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

হামলার পর জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার এই কর্মকাণ্ডের কোনো ক্ষমা নেই। তিনি জানান, রাশিয়ার তেল অবকাঠামো ও সামরিক উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে নতুন করে দূরপাল্লার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউক্রেন।

এরই মধ্যে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রিয়াজান শহরে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রিয়াজানের একটি বড় তেল শোধনাগারেও আঘাত হানা হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি রাশিয়ার অন্যতম বড় জ্বালানি স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।

দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও যুদ্ধবন্দি ও নিহত সেনাদের লাশ বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া ৫২৬ জন ইউক্রেনীয় সেনার লাশ ফেরত দিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেন ৪১ জন রুশ সেনার লাশ হস্তান্তর করেছে।

এ বিনিময় কার্যক্রমটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পৃক্ততায় হওয়া তিন দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি যুদ্ধ শেষের দিকে বলে মন্তব্য করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন জেলেনস্কি। অন্যদিকে ট্রাম্প বলেছেন, কিয়েভে সাম্প্রতিক হামলা চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে বিলম্বিত করতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কিয়েভে রুশ হামলায় নিহত ২৪, পাল্টা হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির

আপডেট সময় ১২:২২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলার পর রাশিয়াকে কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। খবর সামা টিভি অনলাইনের।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের (১৫ মে) হামলায় কিয়েভের দারনিতস্কি জেলার একটি নয়তলা আবাসিক ভবন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। হামলায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার সবচেয়ে বড় আকাশপথের হামলাগুলোর একটি। বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

হামলার পর জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার এই কর্মকাণ্ডের কোনো ক্ষমা নেই। তিনি জানান, রাশিয়ার তেল অবকাঠামো ও সামরিক উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে নতুন করে দূরপাল্লার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউক্রেন।

এরই মধ্যে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রিয়াজান শহরে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রিয়াজানের একটি বড় তেল শোধনাগারেও আঘাত হানা হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি রাশিয়ার অন্যতম বড় জ্বালানি স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।

দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও যুদ্ধবন্দি ও নিহত সেনাদের লাশ বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া ৫২৬ জন ইউক্রেনীয় সেনার লাশ ফেরত দিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেন ৪১ জন রুশ সেনার লাশ হস্তান্তর করেছে।

এ বিনিময় কার্যক্রমটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পৃক্ততায় হওয়া তিন দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি যুদ্ধ শেষের দিকে বলে মন্তব্য করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন জেলেনস্কি। অন্যদিকে ট্রাম্প বলেছেন, কিয়েভে সাম্প্রতিক হামলা চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে বিলম্বিত করতে পারে।