ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ আগস্টের পর হয়রানির উদ্দেশ্যে হাজার হাজার আসামি করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বুধবার দুপুরে প্রকাশ হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির একদলীয় শাসনে বিশ্বাসী নয় বিএনপি: মঈন খান ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদারীপুরের যুবক নিহত হামাস অস্ত্র না ছাড়লে পুরো গাজা দখলের হুঁশিয়ারি ইসরাইলি মন্ত্রীর প্রবাসী বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা চালু যেখানে মেয়াদ শেষ, সেখানে আগে সিটি নির্বাচন : মির্জা ফখরুল খামেনির ‘মাস্টারপ্ল্যান’,শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু হলেও অচল হবে না ইরান

সেনাবাহিনীর চিকিৎসা প্রশাসন থেকে প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সেনাবাহিনীতে চিকিৎসা প্রশাসন থেকে প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হলেন নাজমা বেগম। তিনি ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন।

নাজমা বেগম জাতিসংঘেও প্রথম নারী কন্টিনজেন্ট কমান্ডার হিসেবে দু’বার লেভেল-২ হাসপাতাল কমান্ড করেন। দু’বার তিনি মিশন এরিয়ায় কান্ট্রি সিনিয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও বিমান বাহিনীতে চাকরিকালীন তিনি দু’টি (বিএএফ বেস জহুর এবং বেস বাশার) মেডিকেল স্কোয়াড্রন কমান্ড করেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তিনি ফোর্স কমান্ডার, এসআরএসজি, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের সেনাপ্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর প্রশংসাপত্র লাভ করেন। নাজমা বেগমের এ পদোন্নতি সেনাবাহিনীর চিকিৎসা প্রশাসনে নারীর ক্ষমতায়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

উল্লেখ্য, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালের জন্য তিনি ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। শান্তিরক্ষা মিশনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমা বেগমের অবদানের কথা উল্লেখ করে মধ্য আফ্রিকায় নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত (এসআরএসজি) বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কন্টিনজেন্টের অবদান শুধু জাতিসংঘ ও স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবার জন্যই সবাই স্মরণ করবে না, বরং প্রথম নারী কমান্ডার হিসেবে কর্নেল (তৎকালীন) নাজমার জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সেনাবাহিনীর চিকিৎসা প্রশাসন থেকে প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমা

আপডেট সময় ০৯:২০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সেনাবাহিনীতে চিকিৎসা প্রশাসন থেকে প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হলেন নাজমা বেগম। তিনি ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন।

নাজমা বেগম জাতিসংঘেও প্রথম নারী কন্টিনজেন্ট কমান্ডার হিসেবে দু’বার লেভেল-২ হাসপাতাল কমান্ড করেন। দু’বার তিনি মিশন এরিয়ায় কান্ট্রি সিনিয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও বিমান বাহিনীতে চাকরিকালীন তিনি দু’টি (বিএএফ বেস জহুর এবং বেস বাশার) মেডিকেল স্কোয়াড্রন কমান্ড করেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তিনি ফোর্স কমান্ডার, এসআরএসজি, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের সেনাপ্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর প্রশংসাপত্র লাভ করেন। নাজমা বেগমের এ পদোন্নতি সেনাবাহিনীর চিকিৎসা প্রশাসনে নারীর ক্ষমতায়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

উল্লেখ্য, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালের জন্য তিনি ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। শান্তিরক্ষা মিশনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমা বেগমের অবদানের কথা উল্লেখ করে মধ্য আফ্রিকায় নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত (এসআরএসজি) বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কন্টিনজেন্টের অবদান শুধু জাতিসংঘ ও স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবার জন্যই সবাই স্মরণ করবে না, বরং প্রথম নারী কমান্ডার হিসেবে কর্নেল (তৎকালীন) নাজমার জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।