ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ: ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মামা-ভাগ্নির মৃত্যু নাইজেরিয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল বিমান, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৬৮ যাত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে বদ্ধপরিকর সরকার: মির্জা ফখরুল কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

এবার ভার্চ্যুয়ালি হচ্ছে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের অন্যতম বৃহত্তম নিত্যব্যবহার্য পণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) নেতৃত্ব তৈরির বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। ইউবিএল গত আট বছর ধরে একটানা দেশের ‘নাম্বার ওয়ান ইমপ্লয়ার অব চয়েজ’ নির্বাচিত হয়ে আসছে।

এছাড়া ভালো ব্যবসার পাশাপাশি একটি উন্নত পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের তরুণ সমাজকে ইউনিলিভার বাংলাদেশে যোগদানে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সবার বাড়তি মনোযোগ আকর্ষণেও সক্ষম হয়েছে কোম্পানিটি।

‘বিজমায়েস্ট্রোজ’ ইউবিএলের একটি ফ্ল্যাগশিপ বিজনেস কেস কম্পিটিশন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত স্নাতক শেষবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘বাস্তব ব্যবসার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে আয়োজন করে ইউবিএল। গৌরবোজ্জ্বল ১০ বছর পেরিয়ে এবছর ১১তম আসর নিয়ে আবারও হাজির হচ্ছে ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’। এবারের আসরের থিম রাখা হয়েছে ‘পাওয়ার দ্য ফিউচার’।

চলমান করোনা মহামারির সময়ে শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হচ্ছে ও করপোরেট সেক্টরে তাদের কাজের সুযোগ তৈরি এবং সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে করোনার শুরু থেকেই বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ক্যাম্পাস ভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। ২০২০ সালে শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় প্রতিভার সন্ধান পেতে সারাদেশের ৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন রকম কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইউবিএল। এ পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সংযোগ এবং দক্ষতা বাড়ানোর ধারাবাহিক সেশনগুলোর মাধ্যমে ইউনিলিভার ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর শেখার সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিজমায়েস্ট্রোজ প্রতিযোগিতাটির প্রথম রাউন্ড শুরু হচ্ছে। ইউনিলিভারের ব্র্যান্ডগুলোর সাহায্যে ‘নতুন স্বাভাবিক সময়ে (ব্যবসায়িক) সমৃদ্ধি’/থ্রাইভিং ইন দ্য নিউ নরমাল-ই প্রথম রাউন্ডের প্রধান ফোকাস। তিন সদস্যের প্রতিটি দল ব্যবসায়িক কেসগুলো ধরে নিজ নিজ সমাধান জমা দেবে এবং এ কাজটি করার পাশাপাশি তারা ‘মেন্টরিং’ ও ‘লানিং’ সেশনে সহায়তা পাবে। তিনটি ভার্চ্যুয়াল রাউন্ড শেষ করার পর আগামী নভেম্বরে ভার্চ্যুয়াল গ্র্যান্ড ফিনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে বিজমায়েস্ট্রোজের।

প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত বিজয়ীরা ইউনিলিভার এর বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ‘ফিউচার লিডারস লিগ’ (এফএলএল)-২০২১ এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অসাধারণ সুযোগ পাবে।

এছাড়া ইউনিলিভার এর মর্যাদাপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম ‘ইউনিলিভার ফিউচার লিডার’স প্রোগ্রাম’ (ইউএফএলপি) এ নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার পাবে।

এ প্রসঙ্গে ইউনিলিভার বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাক্শী হান্ডা বলেন, ‘বাংলাদেশে নাম্বার ওয়ান ইমপ্লয়ার অব চয়েজ হিসেবে, শিক্ষাগ্রহণে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার পাশাপাশি সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হবার ক্ষেত্রেও তাদের সহায়তা করতে ইউনিলিভার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহামারি সত্ত্বেও ‘স্পার্কস ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ এবং ‘ইউনিলিভার লিডারশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম’ এর অধীনে নেতৃত্ব ভিত্তিক লার্নিং সেশন থেকে শুরু করে তরুণদের নিয়োগ দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সারাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে নিজের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। এখন আমরা দেশের ও তরুণদের ভবিষ্যতকে শক্তিশালী করার জন্য ‘বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২০’ শুরু করতে যাচ্ছি। গত এক দশকে ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’ দেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসা-বিষয়ক প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব ব্যবসার চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের জন্য একাধিক রাউন্ডের মধ্য দিয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসাখাতের সেরা মানুষগুলোর কাছ থেকে শেখে এবং এভাবেই তাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হয়’।

ইউবিএল হলো বৃহত্তম ফাস্ট-মুভিং কনজ্যুমার গুডস বা এফএমসিজি কোম্পানির এদেশে ৫৫ বছর ধরে কাজ করার ঐতিহ্য রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে নয়টিই ইউনিলিভারের পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। ব্যবসায় বাড়ানোর রূপকল্প ও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাপনকে টেকসই করে তোলাই ইউবিএলের অন্যতম উদ্দেশ্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার

এবার ভার্চ্যুয়ালি হচ্ছে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’

আপডেট সময় ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের অন্যতম বৃহত্তম নিত্যব্যবহার্য পণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) নেতৃত্ব তৈরির বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। ইউবিএল গত আট বছর ধরে একটানা দেশের ‘নাম্বার ওয়ান ইমপ্লয়ার অব চয়েজ’ নির্বাচিত হয়ে আসছে।

এছাড়া ভালো ব্যবসার পাশাপাশি একটি উন্নত পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের তরুণ সমাজকে ইউনিলিভার বাংলাদেশে যোগদানে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সবার বাড়তি মনোযোগ আকর্ষণেও সক্ষম হয়েছে কোম্পানিটি।

‘বিজমায়েস্ট্রোজ’ ইউবিএলের একটি ফ্ল্যাগশিপ বিজনেস কেস কম্পিটিশন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত স্নাতক শেষবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘বাস্তব ব্যবসার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে আয়োজন করে ইউবিএল। গৌরবোজ্জ্বল ১০ বছর পেরিয়ে এবছর ১১তম আসর নিয়ে আবারও হাজির হচ্ছে ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’। এবারের আসরের থিম রাখা হয়েছে ‘পাওয়ার দ্য ফিউচার’।

চলমান করোনা মহামারির সময়ে শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হচ্ছে ও করপোরেট সেক্টরে তাদের কাজের সুযোগ তৈরি এবং সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে করোনার শুরু থেকেই বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ক্যাম্পাস ভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। ২০২০ সালে শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় প্রতিভার সন্ধান পেতে সারাদেশের ৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন রকম কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইউবিএল। এ পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সংযোগ এবং দক্ষতা বাড়ানোর ধারাবাহিক সেশনগুলোর মাধ্যমে ইউনিলিভার ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর শেখার সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিজমায়েস্ট্রোজ প্রতিযোগিতাটির প্রথম রাউন্ড শুরু হচ্ছে। ইউনিলিভারের ব্র্যান্ডগুলোর সাহায্যে ‘নতুন স্বাভাবিক সময়ে (ব্যবসায়িক) সমৃদ্ধি’/থ্রাইভিং ইন দ্য নিউ নরমাল-ই প্রথম রাউন্ডের প্রধান ফোকাস। তিন সদস্যের প্রতিটি দল ব্যবসায়িক কেসগুলো ধরে নিজ নিজ সমাধান জমা দেবে এবং এ কাজটি করার পাশাপাশি তারা ‘মেন্টরিং’ ও ‘লানিং’ সেশনে সহায়তা পাবে। তিনটি ভার্চ্যুয়াল রাউন্ড শেষ করার পর আগামী নভেম্বরে ভার্চ্যুয়াল গ্র্যান্ড ফিনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে বিজমায়েস্ট্রোজের।

প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত বিজয়ীরা ইউনিলিভার এর বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ‘ফিউচার লিডারস লিগ’ (এফএলএল)-২০২১ এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অসাধারণ সুযোগ পাবে।

এছাড়া ইউনিলিভার এর মর্যাদাপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম ‘ইউনিলিভার ফিউচার লিডার’স প্রোগ্রাম’ (ইউএফএলপি) এ নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার পাবে।

এ প্রসঙ্গে ইউনিলিভার বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাক্শী হান্ডা বলেন, ‘বাংলাদেশে নাম্বার ওয়ান ইমপ্লয়ার অব চয়েজ হিসেবে, শিক্ষাগ্রহণে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার পাশাপাশি সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হবার ক্ষেত্রেও তাদের সহায়তা করতে ইউনিলিভার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহামারি সত্ত্বেও ‘স্পার্কস ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ এবং ‘ইউনিলিভার লিডারশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম’ এর অধীনে নেতৃত্ব ভিত্তিক লার্নিং সেশন থেকে শুরু করে তরুণদের নিয়োগ দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সারাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে নিজের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। এখন আমরা দেশের ও তরুণদের ভবিষ্যতকে শক্তিশালী করার জন্য ‘বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২০’ শুরু করতে যাচ্ছি। গত এক দশকে ‘বিজমায়েস্ট্রোজ’ দেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসা-বিষয়ক প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব ব্যবসার চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের জন্য একাধিক রাউন্ডের মধ্য দিয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসাখাতের সেরা মানুষগুলোর কাছ থেকে শেখে এবং এভাবেই তাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হয়’।

ইউবিএল হলো বৃহত্তম ফাস্ট-মুভিং কনজ্যুমার গুডস বা এফএমসিজি কোম্পানির এদেশে ৫৫ বছর ধরে কাজ করার ঐতিহ্য রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে নয়টিই ইউনিলিভারের পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। ব্যবসায় বাড়ানোর রূপকল্প ও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাপনকে টেকসই করে তোলাই ইউবিএলের অন্যতম উদ্দেশ্য।