ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

যমুনার স্রোতে বিলীন হলো মসজিদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শতচেষ্টা করেও মসজিদটি রক্ষা করা গেল না। যমুনার তীব্র স্রোতে শনিবার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরী গ্রামের মসজিদটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে মসজিদটি রক্ষার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত জুলাই মাসে মসজিদটি ভাঙনের কবলে পড়ে। সে সময় বালুর বস্তা ফেলে মসজিদটি রক্ষায় চেষ্টা করা হয়েছিল। গত তিন দিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। কাজীপুর পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে যমুনার তীব্র স্রোতে মসজিদটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়।’

গত জুলাইয়ে বন্যায় সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের ১৫০ মিটার শিমলা স্পার বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। একই সঙ্গে শতাধিক ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও গাছপালা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়। সে সময়ই ভাঙনের মুখে পড়ে মসজিদটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

যমুনার স্রোতে বিলীন হলো মসজিদ

আপডেট সময় ০৬:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শতচেষ্টা করেও মসজিদটি রক্ষা করা গেল না। যমুনার তীব্র স্রোতে শনিবার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরী গ্রামের মসজিদটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে মসজিদটি রক্ষার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত জুলাই মাসে মসজিদটি ভাঙনের কবলে পড়ে। সে সময় বালুর বস্তা ফেলে মসজিদটি রক্ষায় চেষ্টা করা হয়েছিল। গত তিন দিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। কাজীপুর পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে যমুনার তীব্র স্রোতে মসজিদটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়।’

গত জুলাইয়ে বন্যায় সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের ১৫০ মিটার শিমলা স্পার বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। একই সঙ্গে শতাধিক ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও গাছপালা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়। সে সময়ই ভাঙনের মুখে পড়ে মসজিদটি।