ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ ফেলে পালাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাগুরার মহম্মদপুরে কেয়া খাতুন (১৮) এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার দীঘা আউনাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কেয়া ওই গ্রামের আবুল শেখের ছেলে প্রবাসী সজিব শেখের স্ত্রী।

কেয়ার মৃত্যুর পর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে সজিবের সঙ্গে কেয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর সজিব দুবাই চলে যান।

বুধবার দুপুরে কেয়া তার ঘরের দরজা বন্ধ করে আঁড়ার সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। এসময় ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে ছটফট করতে দেখেন সজিবের বড় বোন। পরে তাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কেয়ার বাবা ফসিয়ার রহমান মোল্যার অভিযোগ, কেয়া মারা যাওয়ার পর তার শশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার মৃত্যুর খবরও আমাদের জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, জামাই বিদেশে থাকার কারণে তার মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনার দিন কী হয়েছে জানি না, তবে ধারণা করছি নির্যাতনের পর তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।।

তবে কেয়ার শশুরবাড়ির লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সজিবের বড় বোন জাহানারা বেগম বলেন, কেয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ ছিল না। তবে আমাদের ধারণা, সজিবের সঙ্গে মোবাইলে ঝগড়ার জেরে কেয়া আত্মহত্যা করেছে।

হাসপাতালে কেয়ার লাশ ফেলে রেখে পালানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সজিবের বড় ভাই খায়রুল।

মোবাইল ফোনে দুবাই প্রবাসী স্বামী সজিব জানান, তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর বাড়ি থেকে তাকে জানানো হয়নি। তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছেন। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

মহম্মপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী আবু আহসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই গৃহবধূ কেয়ার মৃত্যু হয়েছে।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারেক বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিহত

প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ ফেলে পালাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন

আপডেট সময় ১১:২৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাগুরার মহম্মদপুরে কেয়া খাতুন (১৮) এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার দীঘা আউনাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কেয়া ওই গ্রামের আবুল শেখের ছেলে প্রবাসী সজিব শেখের স্ত্রী।

কেয়ার মৃত্যুর পর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে সজিবের সঙ্গে কেয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর সজিব দুবাই চলে যান।

বুধবার দুপুরে কেয়া তার ঘরের দরজা বন্ধ করে আঁড়ার সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। এসময় ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে ছটফট করতে দেখেন সজিবের বড় বোন। পরে তাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কেয়ার বাবা ফসিয়ার রহমান মোল্যার অভিযোগ, কেয়া মারা যাওয়ার পর তার শশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার মৃত্যুর খবরও আমাদের জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, জামাই বিদেশে থাকার কারণে তার মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনার দিন কী হয়েছে জানি না, তবে ধারণা করছি নির্যাতনের পর তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।।

তবে কেয়ার শশুরবাড়ির লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সজিবের বড় বোন জাহানারা বেগম বলেন, কেয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ ছিল না। তবে আমাদের ধারণা, সজিবের সঙ্গে মোবাইলে ঝগড়ার জেরে কেয়া আত্মহত্যা করেছে।

হাসপাতালে কেয়ার লাশ ফেলে রেখে পালানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সজিবের বড় ভাই খায়রুল।

মোবাইল ফোনে দুবাই প্রবাসী স্বামী সজিব জানান, তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর বাড়ি থেকে তাকে জানানো হয়নি। তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছেন। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

মহম্মপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী আবু আহসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই গৃহবধূ কেয়ার মৃত্যু হয়েছে।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারেক বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।