ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

সৌদিতে ইয়েমেনের হামলা কঠোর বার্তা দিল ইসরায়েল-আমিরাতকে!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি সৌদি আরবের আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সেনারা। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বার বার এসব হামলা হুথিদের নেতৃত্বাধীন জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলন ও এর মিত্রদের শক্তিমত্তা এবং শত্রুদের প্রতি কঠোর বার্তাই তুলে ধরছে।

বিগত মাসগুলোতে ইয়েমেনের সশস্ত্র ও গণ-বাহিনী সৌদি আরবের আসির প্রদেশ-সংলগ্ন মারিব প্রদেশে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে এবং এ প্রদেশের মূল শহর মারিবের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।অবশ্য সৌদি জোটও ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক সপ্তায় সৌদি জোটের হামলায় নিহত হয়েছে ইয়েমেনের নিরপরাধ বহু বেসামরিক নাগরিক যাদের অনেকেই ছিল শিশু ও নারী।

ইয়েমেনিদের পাল্টা হামলাগুলো নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত এইসব হামলায় তারা নিজস্ব প্রযুক্তির সামাদ-তিন নামের ড্রোন ব্যবহার করেছে। বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পরেই রিয়াদ সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করছে। অথচ ইয়েমেনিদের ড্রোন হামলাই ঠেকাতে পারছে না রিয়াদ।
দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের আসির প্রদেশে রয়েছে দেশটির বিমান ও স্থল সেনাদের এক বিরাট অংশ। এই প্রদেশ ৮০ বছর আগে ছিল ইয়েমেনেরই অংশ। এখানে খনিজ তেলের অনেক স্থাপনাও রয়েছে। তাই এ অঞ্চলে বার বার ইয়েমেনিদের হামলার অর্থ প্রদেশটিকে হাতছাড়া করার হুমকির মুখে রয়েছে রিয়াদ।

তৃতীয়ত আমিরাত-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রেক্ষাপটে আমিরাতের পাশাপাশি সৌদি সরকারও দেশটির আকাশ-সীমা ইসরায়েলের জন্য খুলে দিয়েছে। কিন্তু এ প্রদেশে ইয়েমেনি ড্রোন হামলা ঠেকাতে সৌদি ব্যর্থতা থেকে বোঝা যায় এখানে আমিরাতি ও ইসরায়েলি বিমানের নিরাপত্তা এবং সৌদি-আমিরাতি-ইসরায়েলি স্বার্থ ভবিষ্যতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে।

চতুর্থত ইয়েমেনিদের এসব হামলা দেশটির সোকত্রা দ্বীপে ও কৌশগলগত গুরুত্বপূর্ণ বাবআলমানদেব প্রণালীতে আমিরাত ও ইসরায়েলি সহযোগিতার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও এক বড় হুঁশিয়ারি। কারণ এ অঞ্চলে ইসরায়েলিদের আনাগোনাকে ইয়েমেন তার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। মোটকথা আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হামলা সৌদি আরব, আমিরাত ও ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের কঠোর বার্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

সৌদিতে ইয়েমেনের হামলা কঠোর বার্তা দিল ইসরায়েল-আমিরাতকে!

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি সৌদি আরবের আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সেনারা। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বার বার এসব হামলা হুথিদের নেতৃত্বাধীন জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলন ও এর মিত্রদের শক্তিমত্তা এবং শত্রুদের প্রতি কঠোর বার্তাই তুলে ধরছে।

বিগত মাসগুলোতে ইয়েমেনের সশস্ত্র ও গণ-বাহিনী সৌদি আরবের আসির প্রদেশ-সংলগ্ন মারিব প্রদেশে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে এবং এ প্রদেশের মূল শহর মারিবের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।অবশ্য সৌদি জোটও ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক সপ্তায় সৌদি জোটের হামলায় নিহত হয়েছে ইয়েমেনের নিরপরাধ বহু বেসামরিক নাগরিক যাদের অনেকেই ছিল শিশু ও নারী।

ইয়েমেনিদের পাল্টা হামলাগুলো নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত এইসব হামলায় তারা নিজস্ব প্রযুক্তির সামাদ-তিন নামের ড্রোন ব্যবহার করেছে। বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পরেই রিয়াদ সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করছে। অথচ ইয়েমেনিদের ড্রোন হামলাই ঠেকাতে পারছে না রিয়াদ।
দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের আসির প্রদেশে রয়েছে দেশটির বিমান ও স্থল সেনাদের এক বিরাট অংশ। এই প্রদেশ ৮০ বছর আগে ছিল ইয়েমেনেরই অংশ। এখানে খনিজ তেলের অনেক স্থাপনাও রয়েছে। তাই এ অঞ্চলে বার বার ইয়েমেনিদের হামলার অর্থ প্রদেশটিকে হাতছাড়া করার হুমকির মুখে রয়েছে রিয়াদ।

তৃতীয়ত আমিরাত-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রেক্ষাপটে আমিরাতের পাশাপাশি সৌদি সরকারও দেশটির আকাশ-সীমা ইসরায়েলের জন্য খুলে দিয়েছে। কিন্তু এ প্রদেশে ইয়েমেনি ড্রোন হামলা ঠেকাতে সৌদি ব্যর্থতা থেকে বোঝা যায় এখানে আমিরাতি ও ইসরায়েলি বিমানের নিরাপত্তা এবং সৌদি-আমিরাতি-ইসরায়েলি স্বার্থ ভবিষ্যতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে।

চতুর্থত ইয়েমেনিদের এসব হামলা দেশটির সোকত্রা দ্বীপে ও কৌশগলগত গুরুত্বপূর্ণ বাবআলমানদেব প্রণালীতে আমিরাত ও ইসরায়েলি সহযোগিতার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও এক বড় হুঁশিয়ারি। কারণ এ অঞ্চলে ইসরায়েলিদের আনাগোনাকে ইয়েমেন তার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। মোটকথা আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হামলা সৌদি আরব, আমিরাত ও ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের কঠোর বার্তা।