ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

সৌদিতে ইয়েমেনের হামলা কঠোর বার্তা দিল ইসরায়েল-আমিরাতকে!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি সৌদি আরবের আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সেনারা। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বার বার এসব হামলা হুথিদের নেতৃত্বাধীন জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলন ও এর মিত্রদের শক্তিমত্তা এবং শত্রুদের প্রতি কঠোর বার্তাই তুলে ধরছে।

বিগত মাসগুলোতে ইয়েমেনের সশস্ত্র ও গণ-বাহিনী সৌদি আরবের আসির প্রদেশ-সংলগ্ন মারিব প্রদেশে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে এবং এ প্রদেশের মূল শহর মারিবের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।অবশ্য সৌদি জোটও ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক সপ্তায় সৌদি জোটের হামলায় নিহত হয়েছে ইয়েমেনের নিরপরাধ বহু বেসামরিক নাগরিক যাদের অনেকেই ছিল শিশু ও নারী।

ইয়েমেনিদের পাল্টা হামলাগুলো নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত এইসব হামলায় তারা নিজস্ব প্রযুক্তির সামাদ-তিন নামের ড্রোন ব্যবহার করেছে। বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পরেই রিয়াদ সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করছে। অথচ ইয়েমেনিদের ড্রোন হামলাই ঠেকাতে পারছে না রিয়াদ।
দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের আসির প্রদেশে রয়েছে দেশটির বিমান ও স্থল সেনাদের এক বিরাট অংশ। এই প্রদেশ ৮০ বছর আগে ছিল ইয়েমেনেরই অংশ। এখানে খনিজ তেলের অনেক স্থাপনাও রয়েছে। তাই এ অঞ্চলে বার বার ইয়েমেনিদের হামলার অর্থ প্রদেশটিকে হাতছাড়া করার হুমকির মুখে রয়েছে রিয়াদ।

তৃতীয়ত আমিরাত-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রেক্ষাপটে আমিরাতের পাশাপাশি সৌদি সরকারও দেশটির আকাশ-সীমা ইসরায়েলের জন্য খুলে দিয়েছে। কিন্তু এ প্রদেশে ইয়েমেনি ড্রোন হামলা ঠেকাতে সৌদি ব্যর্থতা থেকে বোঝা যায় এখানে আমিরাতি ও ইসরায়েলি বিমানের নিরাপত্তা এবং সৌদি-আমিরাতি-ইসরায়েলি স্বার্থ ভবিষ্যতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে।

চতুর্থত ইয়েমেনিদের এসব হামলা দেশটির সোকত্রা দ্বীপে ও কৌশগলগত গুরুত্বপূর্ণ বাবআলমানদেব প্রণালীতে আমিরাত ও ইসরায়েলি সহযোগিতার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও এক বড় হুঁশিয়ারি। কারণ এ অঞ্চলে ইসরায়েলিদের আনাগোনাকে ইয়েমেন তার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। মোটকথা আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হামলা সৌদি আরব, আমিরাত ও ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের কঠোর বার্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

সৌদিতে ইয়েমেনের হামলা কঠোর বার্তা দিল ইসরায়েল-আমিরাতকে!

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি সৌদি আরবের আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সেনারা। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আব্‌হা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বার বার এসব হামলা হুথিদের নেতৃত্বাধীন জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলন ও এর মিত্রদের শক্তিমত্তা এবং শত্রুদের প্রতি কঠোর বার্তাই তুলে ধরছে।

বিগত মাসগুলোতে ইয়েমেনের সশস্ত্র ও গণ-বাহিনী সৌদি আরবের আসির প্রদেশ-সংলগ্ন মারিব প্রদেশে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে এবং এ প্রদেশের মূল শহর মারিবের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।অবশ্য সৌদি জোটও ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক সপ্তায় সৌদি জোটের হামলায় নিহত হয়েছে ইয়েমেনের নিরপরাধ বহু বেসামরিক নাগরিক যাদের অনেকেই ছিল শিশু ও নারী।

ইয়েমেনিদের পাল্টা হামলাগুলো নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত এইসব হামলায় তারা নিজস্ব প্রযুক্তির সামাদ-তিন নামের ড্রোন ব্যবহার করেছে। বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পরেই রিয়াদ সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করছে। অথচ ইয়েমেনিদের ড্রোন হামলাই ঠেকাতে পারছে না রিয়াদ।
দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের আসির প্রদেশে রয়েছে দেশটির বিমান ও স্থল সেনাদের এক বিরাট অংশ। এই প্রদেশ ৮০ বছর আগে ছিল ইয়েমেনেরই অংশ। এখানে খনিজ তেলের অনেক স্থাপনাও রয়েছে। তাই এ অঞ্চলে বার বার ইয়েমেনিদের হামলার অর্থ প্রদেশটিকে হাতছাড়া করার হুমকির মুখে রয়েছে রিয়াদ।

তৃতীয়ত আমিরাত-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রেক্ষাপটে আমিরাতের পাশাপাশি সৌদি সরকারও দেশটির আকাশ-সীমা ইসরায়েলের জন্য খুলে দিয়েছে। কিন্তু এ প্রদেশে ইয়েমেনি ড্রোন হামলা ঠেকাতে সৌদি ব্যর্থতা থেকে বোঝা যায় এখানে আমিরাতি ও ইসরায়েলি বিমানের নিরাপত্তা এবং সৌদি-আমিরাতি-ইসরায়েলি স্বার্থ ভবিষ্যতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে।

চতুর্থত ইয়েমেনিদের এসব হামলা দেশটির সোকত্রা দ্বীপে ও কৌশগলগত গুরুত্বপূর্ণ বাবআলমানদেব প্রণালীতে আমিরাত ও ইসরায়েলি সহযোগিতার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও এক বড় হুঁশিয়ারি। কারণ এ অঞ্চলে ইসরায়েলিদের আনাগোনাকে ইয়েমেন তার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। মোটকথা আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হামলা সৌদি আরব, আমিরাত ও ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের কঠোর বার্তা।