ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকাকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়ার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের শেয়ার বাজারে ১৫ বছরে লুট হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকা, সংসদে রুমিন ফারহানা ডেমরায় কালি তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ড বিরোধী দলের আপত্তির মুখেই দুই বিল পাশ শাস্তির মুখে ইনুকে ‘টেনশন কইরেন না’ বলা দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার আরও দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের অপ্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করা হবে : আইনমন্ত্রী এমন অস্ত্র বের করা হবে, যা দেখে শত্রু পক্ষ ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে ইরান যুদ্ধের কোনো ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই যুক্তরাষ্ট্রের: ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সেথ মল্টন ‘একাত্তর প্রশ্নে গ্রহণযোগ্য অবস্থান না নেওয়া পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে বিতর্ক চলবে’:জহিরউদ্দিন স্বপন

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় সিএনজি অটোরিকশা আরোহী শিক্ষক দম্পতিসহ একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও জন।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের রাবনা মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের ভদ্রশিমুল দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আল আমিন (৫৪), তার স্ত্রী একই স্কুলের সহকারী শিক্ষক শিউলি খাতুন (৪২), শিক্ষক আল আমিনের বাবা মো. সোহরাব আলী (৭৫) ও মা সালেহা বেগম (৭০)। এ দুর্ঘটনায় শিক্ষক আল আমিনের বোন হাজেরা বেগম ও অটোরিকশার চালক ফেরদৌস তরফদার গুরতর আহত হন। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, ভূঞাপুর উপজেলা সদর থেকে আল আমিন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর ১২ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের রাবনা মোড় থেকে শহরের দিকে ঢোকার পথে সৈকত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়রা সিএনজির চালকসহ ছয় আরোহীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে শিউলি খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে গুরতর আহত আল আমিন, সোহরাব আলী ও সালেহা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় তারাও মারা যান।

নিহত আল আমিনের ভাই নজরুল ইসলাম জানান, তার অসুস্থ মা সালেহা বেগমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য তার পরিবারের লোকজন টাঙ্গাইল শহরে যাচ্ছিলেন। দুপুরে তার ভাইয়ের মুঠো ফোন থেকে একজন পুলিশ সদস্য প্রথমে এ দুর্ঘটনার খবর দেন। তারা জানান, দুর্ঘটনার সবাই আহত হয়েছেন। তাই তাদের চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে তিনি সবার লাশ দেখতে পান।

নিহত আল আমিন ভূঞাপুর উপজেলা সদরের পশ্চিম ভূঞাপুর এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। তাদের দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে আশা খাতুন দশম শ্রেণিতে এবং ছোট আখি খাতুন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। মৃত্যুর খবর তারা মুর্ছা যান।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, বাসটিকে আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঢাকাকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়ার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় সিএনজি অটোরিকশা আরোহী শিক্ষক দম্পতিসহ একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও জন।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের রাবনা মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের ভদ্রশিমুল দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আল আমিন (৫৪), তার স্ত্রী একই স্কুলের সহকারী শিক্ষক শিউলি খাতুন (৪২), শিক্ষক আল আমিনের বাবা মো. সোহরাব আলী (৭৫) ও মা সালেহা বেগম (৭০)। এ দুর্ঘটনায় শিক্ষক আল আমিনের বোন হাজেরা বেগম ও অটোরিকশার চালক ফেরদৌস তরফদার গুরতর আহত হন। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, ভূঞাপুর উপজেলা সদর থেকে আল আমিন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর ১২ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের রাবনা মোড় থেকে শহরের দিকে ঢোকার পথে সৈকত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়রা সিএনজির চালকসহ ছয় আরোহীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে শিউলি খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে গুরতর আহত আল আমিন, সোহরাব আলী ও সালেহা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় তারাও মারা যান।

নিহত আল আমিনের ভাই নজরুল ইসলাম জানান, তার অসুস্থ মা সালেহা বেগমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য তার পরিবারের লোকজন টাঙ্গাইল শহরে যাচ্ছিলেন। দুপুরে তার ভাইয়ের মুঠো ফোন থেকে একজন পুলিশ সদস্য প্রথমে এ দুর্ঘটনার খবর দেন। তারা জানান, দুর্ঘটনার সবাই আহত হয়েছেন। তাই তাদের চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে তিনি সবার লাশ দেখতে পান।

নিহত আল আমিন ভূঞাপুর উপজেলা সদরের পশ্চিম ভূঞাপুর এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। তাদের দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে আশা খাতুন দশম শ্রেণিতে এবং ছোট আখি খাতুন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। মৃত্যুর খবর তারা মুর্ছা যান।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, বাসটিকে আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।