ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি হরমুজ ‘অবরুদ্ধ’ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, খুলতে চাইছে ইরান: ট্রাম্প আবার যুদ্ধ হলে ‘শত্রুর বাকি সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দেব: আইআরজিসি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা সৌদি আরব পৌঁছেছেন ২০৫৫৩ হজযাত্রী, একজনের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ‌বির‌তির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

পুনরায় ডিপিএল আয়োজন অসম্ভব: পাপন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের জেরে মাঝপথেই স্থগিত হয়ে যায় ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ (ডিপিএল)। দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে পুনরায় ডিপিএল শুরু করা অসম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

দীর্ঘ সময় ঘরবন্দির পর শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে অনুশীলনে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা। শ্রীলঙ্কার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে গিয়ে ক্রিকেট সিরিজে অংশ গ্রহণ করবে মুমিনুল-মুশফিকরা। তবে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি এখনো হয়নি। ফলে বাংলাদেশে পুনরায় ডিপিএলের বাকি অংশ আয়োজন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না বিসিবি বস পাপন।

শ্রীলঙ্কা সফরের পর ঘরোয়া লিগ নিয়ে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বিসিবি। বাস্তবতা দেখিয়ে সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন, তিনি বিশ্বাস করেন এই মৌসুমে ডিপিএলের কোনো সম্ভাবনা নেই।

নিজের মন্তব্যের পেছনে শক্ত যুক্তিও অবশ্য দিয়েছেন বিসিবি বস। গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাপন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে ডিপিএল শুরু করা সম্ভব কি না এই মুহূর্তে বলা সত্যিই কঠিন। আমরা যদি আরেকটু আগে শুরু করতে পারতাম তবে সম্ভব ছিল। কিন্তু এটি এখন আয়োজন কঠিন।’

‘আপনি যদি আমার ব্যক্তিগত মতামত জানতে চান তবে আমি বিশ্বাস করি এখন ডিপিএল পুনরায় চালু সম্ভব না।’

ডিপিএল আয়োজন কঠিন যে কারণে সে বিষয়েও বলেন পাপন, ‘সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি হলো, আমরা যদি আগামী মাসে আমাদের ক্রিকেটারদের বিদেশ সফরে পাঠাই, অনেক ডিপিএল ক্লাব পুনরায় ডিপিএল চালুতে আগ্রহ হারাবে। সুতরাং আমাদের দেখতে হবে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই খেলার জন্য প্রস্তুত কি না।’

উল্লেখ্য, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র এক রাউন্ড মাঠে গড়ানোর পরই স্থগিত হয় এবারের ডিপিএল আসর। বেশিরভাগ ক্রিকেটারের আয়ের প্রধান উৎস ঘরোয়া লিগের অন্যতম এই আসরটি। ফলে টুর্নামেন্ট মাঠে না গড়ালে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে প্রায় দুইশ ক্রিকেটার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার

পুনরায় ডিপিএল আয়োজন অসম্ভব: পাপন

আপডেট সময় ০৯:১৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের জেরে মাঝপথেই স্থগিত হয়ে যায় ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ (ডিপিএল)। দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে পুনরায় ডিপিএল শুরু করা অসম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

দীর্ঘ সময় ঘরবন্দির পর শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে অনুশীলনে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা। শ্রীলঙ্কার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে গিয়ে ক্রিকেট সিরিজে অংশ গ্রহণ করবে মুমিনুল-মুশফিকরা। তবে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি এখনো হয়নি। ফলে বাংলাদেশে পুনরায় ডিপিএলের বাকি অংশ আয়োজন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না বিসিবি বস পাপন।

শ্রীলঙ্কা সফরের পর ঘরোয়া লিগ নিয়ে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বিসিবি। বাস্তবতা দেখিয়ে সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন, তিনি বিশ্বাস করেন এই মৌসুমে ডিপিএলের কোনো সম্ভাবনা নেই।

নিজের মন্তব্যের পেছনে শক্ত যুক্তিও অবশ্য দিয়েছেন বিসিবি বস। গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাপন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে ডিপিএল শুরু করা সম্ভব কি না এই মুহূর্তে বলা সত্যিই কঠিন। আমরা যদি আরেকটু আগে শুরু করতে পারতাম তবে সম্ভব ছিল। কিন্তু এটি এখন আয়োজন কঠিন।’

‘আপনি যদি আমার ব্যক্তিগত মতামত জানতে চান তবে আমি বিশ্বাস করি এখন ডিপিএল পুনরায় চালু সম্ভব না।’

ডিপিএল আয়োজন কঠিন যে কারণে সে বিষয়েও বলেন পাপন, ‘সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি হলো, আমরা যদি আগামী মাসে আমাদের ক্রিকেটারদের বিদেশ সফরে পাঠাই, অনেক ডিপিএল ক্লাব পুনরায় ডিপিএল চালুতে আগ্রহ হারাবে। সুতরাং আমাদের দেখতে হবে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই খেলার জন্য প্রস্তুত কি না।’

উল্লেখ্য, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র এক রাউন্ড মাঠে গড়ানোর পরই স্থগিত হয় এবারের ডিপিএল আসর। বেশিরভাগ ক্রিকেটারের আয়ের প্রধান উৎস ঘরোয়া লিগের অন্যতম এই আসরটি। ফলে টুর্নামেন্ট মাঠে না গড়ালে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে প্রায় দুইশ ক্রিকেটার।