অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ঢাকায় কোরবানির অস্থায়ী পশুহাটগুলো কানায় কানায় ভরে উঠেছে। কিন্তু হাতেগোনা দু’একজন ছাড়া কেউ কিনছেন না। এখনও পুরোপুরি বিক্রি শুরু হয়নি। বিভিন্ন হাট ঘুরে কোথাও পশু বিক্রির তেমন খবর জানা যায়নি।
ট্রাকে ট্রাকে গরু আসছে বিভিন্ন হাটে। এসব গরু হাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা ও অলিগলিতে রাখা হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা হাট ঘুরে ঘুরে গরু দেখছেন আর দামাদামি করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর পশুর হাট কানায় কানায় ভরে উঠেছে। কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাখা হয়েছে কোরবানির গরু। এবার সড়কে পশু উঠানোর ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায় হাট ইজারাদাররা সেটা মেনে চলার চেষ্টা করছেন।
তবে শেষমেশ এমনটা থাকবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে গাবতলী হাটে রুটিন বেচাকেনার অংশ হিসেবে প্রতিদিনই কম-বেশি গরু বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য হাটভর্তি গরু নিয়ে পশু ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা মুখিয়ে রয়েছেন ক্রেতার অপেক্ষায়।
কমলাপুর হাটের গরু ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিবারই রাজধানীর হাটগুলোতে আমি পশু বিক্রি করি। এবারও এ হাটসহ আরও দুটি হাটে পশু উঠিয়েছি। এ হাটে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০টি গরু উঠিয়েছি।
ভারতের গরু কম আসায় লাভ ভালো হবে বলে আশা করছি। এছাড়া এখনও একটিও বিক্রি হয়নি। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করতে পারব। তবে আগ্রহী গ্রাহকরা দামাদামি করছেন। অনেক ক্রেতা দু-তিনবার করেও তার গরু দেখেছেন বলে জানান।
আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গরুগুলো ৭০-৯০ হাজার টাকার মধ্যে দাম পেলে বেচে দেব। হাজারীবাগ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বেড়িবাঁধ হাটেও প্রচুর গরু উঠেছে। তবে এ হাটটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়নি।
রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে, কয়েক দিন ধরেই হাটগুলোতে ট্রাক ভরে আসছে গরু, ছাগল ও মহিষ। দিন যাচ্ছে, পশুভর্তি ট্রাক আসার পরিমাণ বাড়ছে। শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ মাঠের অস্থায়ী হাটে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে করে গরু নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























